বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি নিয়ে আবারও বিতর্কের মুখে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এবার তাদের অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মে একই ম্যাচের টিকিট কয়েক হাজার পাউন্ড মূল্যে পুনরায় বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ‘ডায়নামিক প্রাইসিং’ পদ্ধতিতে টিকিটের মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে ফিফা। সে সময় সমর্থকদের অভিযোগ ছিল, চাহিদা অনুযায়ী টিকিটের দাম বাড়ানোর এই পদ্ধতিতে সাধারণ দর্শকদের জন্য খেলা উপভোগ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফার অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্ম। সেখানে একই ম্যাচের টিকিট কয়েক হাজার পাউন্ড দামে পুনরায় বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ায় টিকিট ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা ও মূল্য নির্ধারণ নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ফুটবলপ্রেমীদের অভিযোগ, অফিসিয়াল পুনর্বিক্রয় ব্যবস্থায় টিকিটের এত উচ্চমূল্য বিশ্বকাপকে সাধারণ দর্শকদের নাগালের বাইরে ঠেলে দিচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এতে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সোমবার মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচের জন্য ইংল্যান্ড সমর্থকদের কেনা টিকিট রিসেল পোর্টালে অস্বাভাবিক উচ্চমূল্যে বিক্রির জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সমর্থক সংগঠন।
ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) জানিয়েছে, আলোচিত টিকিটগুলো ইংল্যান্ড সাপোর্টার্স ট্রাভেল ক্লাবের সদস্যরা গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ব্যালটের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছিলেন। ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর বুধবার থেকে আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ম্যাচটির টিকিট পুনরায় বিক্রির সুযোগ চালু হয়।
ঘটনাটির তীব্র সমালোচনা করেছে ফুটবল সাপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিবিসিকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনটি বলেছে, ‘ফিফা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি অনলাইন বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যেখানে টিকিট অত্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকেই ১৫ শতাংশ করে অর্থ নিচ্ছে।’
সংগঠনটির আরও বক্তব্য, ‘এই বিশ্বকাপে সমর্থকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের জন্য আমরা সবসময়ই ফিফার সমালোচনা করেছি। তবে যেসব সমর্থক নিজেরাই অযৌক্তিক দামে টিকিট বিক্রির চেষ্টা করছেন, তাদের কর্মকাণ্ডও কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না।’
এর আগে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছিল ফিফা। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ফিফার ভ্যারিয়েবল প্রাইসিং-ভিত্তিক টিকিট বিক্রয় ব্যবস্থা বিভিন্ন খেলা ও বিনোদন খাতের বর্তমান শিল্পপ্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিক্রয় ও দর্শক উপস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে এবং প্রতিটি ইভেন্টের ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করতে টিকিটের মূল্য পরিস্থিতি অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়।
এদিকে টিকিটের মূল্য ও পুনর্বিক্রয় নীতি নিয়ে চলমান সমালোচনার বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।