বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জয়সূচক গোল করলেন গনসালো রামোস, বেঞ্চ থেকে দৌড়ে এসে তাকে অভিনন্দন জানান রোনালদো-ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপের শেষ-৩২ পর্বে রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল।
তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে যোগ করা সময়ের বিতর্কিত ভিএআর সিদ্ধান্ত, যা শেষ পর্যন্ত ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ যাত্রার ইতি টেনে দেয়।
শুরু থেকেই জমে ওঠা ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড ইভান পেরিসিচের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় তারা।
তবে বেশিক্ষণ সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি। আক্রমণের চাপে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
১-১ সমতায় ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আসে নতুন নাটক। যোগ করা সময়ের ৯৪তম মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন বদলি স্ট্রাইকার গনসালো রামোস। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পর্তুগাল।
তবে আসল উত্তেজনা অপেক্ষা করছিল ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে। ইনজুরি সময়ের ১০ম মিনিটে কর্নার থেকে জটলার মধ্যে বল জালে পাঠিয়ে সমতায় ফেরার উল্লাসে মেতে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। খেলোয়াড়রা উদযাপন শুরু করলেও ভিএআরের নির্দেশে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন রেফারি।
রিপ্লে পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করা হয়। সিদ্ধান্তটি সঙ্গে সঙ্গে বিতর্কের জন্ম দেয়। ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড় ও সমর্থকদের দাবি ছিল, বলের গতিপথ ও স্পর্শের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তবে রেফারির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে গোল বাতিল হওয়ায় সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় ক্রোয়াটরা।
গোল বাতিলের ধাক্কা সামলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালালেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি লুকা মদরিচের দল। শেষ বাঁশি বাজতেই পর্তুগিজ শিবিরে শুরু হয় উল্লাস, আর হতাশায় ভেঙে পড়ে ক্রোয়েশিয়া।
রোনালদোর সমতাসূচক গোল এবং গনসালো রামোসের ম্যাচজয়ী হেডে পর্তুগাল শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে বিতর্কিত ভিএআর সিদ্ধান্তের তিক্ত স্মৃতি নিয়েই বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে বিদায় নিতে হলো ক্রোয়েশিয়াকে।
এখন ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোলটি সত্যিই অফসাইড ছিল নাকি ভিএআরের এক সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য?