বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
২০১০ সালে সাবেক ইংলিশ ব্যাটার জিওফ বয়কট বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বলেছিলেন, বাংলাদেশ নাকি এই ফরম্যাটের জন্য উপযুক্ত নয়। সময়ের ব্যবধানে ২০২৬ সালে এসে সেই অবস্থানই বদলে গেছে। এখন ইংল্যান্ডই লাল বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশকে সমীহের চোখে দেখছে এবং নিজেদের মাটিতে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে।
দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগামী বছর অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ঘরের মাঠে নির্ধারিত সূচির বাইরে আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে চায়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি গ্রীষ্মে অন্তত ছয়টি টেস্ট আয়োজন করতে হয় তাদের।
প্রথমে এই সূচির অংশ হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাড়া না পাওয়ায় এখন বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছে ইসিবি।
সব কিছু ঠিক থাকলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে সাদা পোশাকে আবারও দেখা যেতে পারে বাংলাদেশকে আর সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড।
এর আগের দুটি অ্যাশেজ (২০১৯ ও ২০২৩) শুরুর আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলেছিল ইংলিশরা। তবে আইরিশদের বিপক্ষে সেই প্রস্তুতিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেনি তারা। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটের দীর্ঘতম সংস্করণে বাংলাদেশের লড়াকু মনোভাব ও ধারাবাহিক উন্নতি দেখেই এবার টাইগারদের বেছে নিতে চাইছে ইসিবি।
টাইগাররা সর্বশেষ ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল ২০১০ সালে। এরপর লম্বা সময় কেটে গেলেও দ্বিপাক্ষিক টেস্ট খেলতে আর ইংল্যান্ড সফর করা হয়নি বাংলাদেশের। ২০১৬ সালে মিরপুর টেস্টে মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে ইংলিশদের হারানোর মধুর স্মৃতি থাকলেও, তাদের মাটিতে পরীক্ষা দেওয়া এখনো বাকি।
চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে আগামীতে ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। মিরপুর ও সিলেটে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলার সূচি রয়েছে দুই দলের। ধারণা করা হচ্ছে, এই সিরিজের পরই চূড়ান্ত রূপ পাবে আগামী গ্রীষ্মে লর্ডসে ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক সেই টেস্ট ম্যাচটি। খুব শীঘ্রই অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে বাংলাদেশ। আর সেখানে ইতিবাচক পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে লর্ডসের টিকিট পাওয়াটা কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।