বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

তামিম ইকবাল এডহক কমিটির দায়িত্ব পালনকালে মিরপুর স্টেডিয়ামে দর্শকদের কথা চিন্তা করে নানা উদ্যেগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তার কিছু উদ্যোগ তখন বাস্তবায়ন করলেও বর্তমানে পূর্ণমেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাকিগুলো করার চেষ্টা করছেন তামিম। তারই ধারাবাহিকতায় বৃৃহস্পতিবার ( ১৮ জুন ) মিরপুরের পরিছন্নতাকর্মীদের বর্তমান বেতনের ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছেন বিসিবি সভাপতি। এ প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহিম নিজের ফেসবুক পোস্টে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, 'আজ আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কর্মরত পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিচ্ছি। এটি আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালের সেই অঙ্গীকারেরই অংশ, যা আমরা এডহক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় করেছিলাম, শুধু আমাদের ক্রিকেটারদের নয়, বরং মাঠে ক্রিকেটকে সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পুরো দলটির কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য।'
'ক্রিকেট শুধুমাত্র জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামা খেলোয়াড়দের নিয়েই নয়। প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি অনুশীলন সেশন এবং প্রতিটি সফল আয়োজনের পেছনে থাকে একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ, যাদের অবদান প্রায়ই চোখের আড়ালে থেকে যায়। আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে স্টেডিয়ামের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখেন, পেশাদার মান বজায় রাখেন এবং নিশ্চিত করেন যেন খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও দর্শকরা সর্বোচ্চ মানের অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারেন।'
'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অংশ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু ক্রিকেটার তৈরি করা নয়, বরং ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও জীবিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ন্যায্য পারিশ্রমিক কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি। যখন একজন কর্মী তার পরিবারের জন্য আরও নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে পারেন, তখন তিনি আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য; বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে, আরও শক্তিশালী অংশীদারে পরিণত হন।'
'অ্যাডহক কমিটির যাত্রার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অটল থেকেছি। সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলোয়াড় গঠন কিংবা কর্মীদের কল্যাণ; প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের লক্ষ্য ছিল কথাকে কাজে রূপ দেওয়া। এই বেতন বৃদ্ধি সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এবং এটি প্রমাণ করে যে বোর্ড ক্রিকেট পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অবদানকে মূল্যায়ন করে। একটি শক্তিশালী ক্রিকেট জাতি তখনই গড়ে ওঠে, যখন সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যায়: গ্রাউন্ডসম্যান, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, সহায়ক কর্মী, প্রশাসক, কোচ এবং ক্রিকেটার। মাঠের সাফল্যের ভিত্তি তৈরি হয় মাঠের বাইরের মানুষের মর্যাদা, সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই।'
'প্রতিদিন নিজেদের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সকল কর্মীকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের অবদান অত্যন্ত মূল্যবান, এবং ভবিষ্যতেও তা যথাযথভাবে স্বীকৃত হবে।'