বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছেন লিওনেল মেসি -ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপের মহারণ শুরুর প্রাক্কালে স্বস্তির খবর পেল আর্জেন্টিনা শিবির। ইনজুরি নিয়ে তৈরি হওয়া সব সংশয় দূরে ঠেলে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছেন লিওনেল মেসি। শুধু মাঠে ফেরাই নয়, বদলি হিসেবে নেমে অল্প সময়েই নিজের প্রভাব দেখিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী এই মহাতারকা।
গোল করার পাশাপাশি দারুণ এক অ্যাসিস্টে অবদান রেখে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এর আগে হন্ডুরাসকে হারানোর পর আইসল্যান্ডকেও উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি সফলভাবেই শেষ করেছে কোচ লিওনেল স্কালোনির দল। এখন অপেক্ষা শিরোপা রক্ষার মূল লড়াইয়ে নামার।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে ম্যাচের মূল আকর্ষণ ছিলেন বেঞ্চে থাকা একজনই। গত ২৪ মে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলার সময় পেশির অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ার পর থেকেই মেসিকে নিয়ে ছিল শঙ্কা। তবে কোচ স্কালোনি এদিন মহাতারকাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে শুরুতে বেঞ্চে রাখেন। হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজদের ছাড়াই ম্যাচের অষ্টম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন তরুণ মিডফিল্ডার ভালেন্তিন বার্কো।
আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগ বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সের বাইরে বল পেয়ে বাঁ পায়ের কোণাকুণি শটে জাল কাঁপান ২১ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে এটি তার দ্বিতীয় গোল। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধে লাউতারো মার্টিনেজ ও জুলিয়ানো সিমিওনে একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করছিলেন। কখনো আইসল্যান্ডের গোলরক্ষকের দেয়াল, আবার কখনো পোস্টের বাধায় ব্যবধান বাড়ছিল না। ৮৮ হাজার দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়াম তখন চাতক পাখির মতো চেয়েছিল ডাগআউটের দিকে। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে দর্শকদের গর্জনে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে স্টেডিয়াম। মাঠে নামেন ফুটবলের জাদুকর।
মাঠে নামার ঠিক দুই মিনিটের মাথায় নিজের প্রথম ছোঁয়াতেই জাদুর ঝাঁপি খোলেন মেসি। মাঝমাঠের কিছুটা ওপরে বল পেয়ে আইসল্যান্ডের তিন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে লাউতারো মার্টিনেজের উদ্দেশ্যে থ্রু পাস বাড়ান তিনি। বল থামাতে গিয়ে মার্টিনেজকে ফাউল করে বসেন আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এটি মেসির ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মিলিয়ে ৯১১তম গোল। আর্জেন্টিনার জার্সিতেও এটি তার ১১৭তম আন্তর্জাতিক গোল।

ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের উৎসও ছিলেন মেসি। প্রতিআক্রমণ থেকে বক্সে থাকা রদ্রিগো ডি পলকে বল বাড়ান তিনি। ডি পলের পাস থেকে আলতো শটে গোল করতে কোনো ভুল করেননি থিয়াগো আলমাদা। ম্যাচে মাত্র ২০ মিনিটের উপস্থিতিতেই মেসি বুঝিয়ে দিলেন, নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ মাতাতে তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত। আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মূল মিশন শুরু করবে আর্জেন্টিনা।