বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা ও জল্পনা চললেও বিষয়টি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টে ইরান অংশ নেবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ফিফার কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য এ বছরের টুর্নামেন্টে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
তবে ইনফান্তিনো বারবারই বলে আসছেন যে ইরান বিশ্বকাপে থাকবে, ভ্যাঙ্কুভারে প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্যের শুরুতেই সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। তার ভাষায়,ৎশুরুতেই স্পষ্ট করে দিচ্ছি, অবশ্যই ইরান ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেবে। আর তারা যুক্তরাষ্ট্রেই ম্যাচ খেলবে।
ইরানি কর্মকর্তারা তাদের গ্রুপপর্বের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বদলে মেক্সিকোতে সরানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ইনফান্তিনো আগেই তা নাকচ করে দিয়েছেন।
পরিস্থিতি আরও নাটকীয় মোড় নেয় গত সপ্তাহে। ইতালিতে জন্ম নেওয়া মার্কিন বিশেষ দূত পাওলো জামপোল্লি ইরানের পরিবর্তে ইতালিকে বিশ্বকাপে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ওই প্রস্তাব থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের ফুটবলারদের স্বাগত জানানো হবে।
তবে ইরানের অংশগ্রহণ ঘিরে ফিফা কংগ্রেস শুরুর আগ পর্যন্ত উত্তেজনা অব্যাহত ছিল। ২১১ সদস্যের কংগ্রেসে একমাত্র অনুপস্থিত ছিল ইরান। চলতি সপ্তাহের শুরুতে কানাডার সীমান্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিরোধের জেরে তারা বৈঠকে যোগ দিতে পারেনি।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা টরোন্টোতে পৌঁছানোর পরই কানাডা ছেড়ে যান এবং ভ্যাঙ্কুভারে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেন।
ইরানি গণমাধ্যম জানায়, ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ, যিনি তেহরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাবেক সদস্য এবং তার দুই সহকর্মী কানাডিয়ান অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপমানজনক আচরণের অভিযোগ তুলে দেশে ফিরে যান।
এখানে উল্লেখ্য, কানাডা ২০২৪ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কানাডায় প্রবেশের যোগ্য নন।
এক বিবৃতিতে কানাডার অভিবাসন সংস্থা জানায়, গোপনীয়তা আইনের কারণে নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কানাডায় গ্রহণযোগ্য নন এবং তাদের এখানে কোনো স্থান নেই।