বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

চলতি বছরের ১৮ মে বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিল জাতীয় দলের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড প্রকাশ করবেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তার আগে ৫৫ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা কনফেডারেশন অব ব্রাজিল ফুটবলে (সিবিএফ) জমা দেবেন তিনি।
বিশ্বকাপের দল প্রায় চূড়ান্ত হলেও স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার লড়াই এখনো তীব্র। বিশেষ করে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দলে প্রতিটি পজিশনে রয়েছে একাধিক প্রতিভাবান খেলোয়াড়। তবে নিয়ম অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৬ জনই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পাবেন।
আনচেলত্তি এরই মধ্যে বেশ কিছু পজিশনের জন্য খেলোয়াড় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছেন। তবে কয়েকটি জায়গায় শেষ মুহূর্তে নতুন মুখ জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াসি স্পোর্টস ব্রাজিলের সম্ভাব্য স্কোয়াড নিয়ে একটি ধারণা দিয়েছে। পাঠকদের জন্য সেই তালিকা তুলে ধরা হচ্ছে–
গোলকিপার:
তেকাঠির নিচে একমাত্র নিশ্চিত নাম লিভারপুলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। গত দুই বিশ্বকাপেও তিনিই ছিলেন গোলবারের নিচে কোচের প্রথম পছন্দ। বাকি দুই জায়গার জন্য লড়াই করছেন এদেরসন (ফেনারবাচে), বেন্তো (আল নাসর) এবং হুগো সৌজা (করিন্থিয়ান্স)।
ডিফেন্স:
ডিফেন্সে নিশ্চিত দুই নাম মারকিনিওস (পিএসজি) এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল)। এদার মিলিতাও (রিয়াল মাদ্রিদ) ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন।
এছাড়া দানিলো (ফ্লামেঙ্গো) তার বহুমুখী দক্ষতার জন্য দলে জায়গা পেতে পারেন। অন্য সম্ভাব্য নামগুলোর মধ্যে আছেন আলেক্সসান্দ্রো (লিওঁ), ফ্যাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), লিও পেরেইরা ও লিও অর্তিজ (ফ্লামেঙ্গো), লুকাস বেরালদো (পিএসজি) এবং ব্রেমার (জুভেন্টাস)।
ফুল-ব্যাক:
অতীতে ফুটবল ইতিহাসের সেরা কয়েকজন ফুলব্যাক উপহার দিয়েছে ব্রাজিল। কিন্তু এবার এই পজিশনই তাদের অ্যাকিলিস হিল হয়ে উঠতে পারে। বাছাই পর্ব ও প্রীতি ম্যাচগুলোর একাদশ দেখে ধারণা করা যায় ডান দিকে ওয়েসলি (রোমা) এগিয়ে থাকলেও তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন ভ্যান্ডারসন (মোনাকো) এবং পাওলো হেনরিক (ভাস্কো দা গামা)।
বাম দিকে কাইও হেনরিক (মোনাকো) সবচেয়ে এগিয়ে। এছাড়া আছেন আলেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত) এবং কার্লোস অগুস্তো (ইন্টার) স্কোয়াডে জায়গা পেতে লড়বেন।
মিডফিল্ড:
মিডফিল্ডে প্রায় নিশ্চিত কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড) এবং ব্রুনো গিমারায়েসের (নিউক্যাসল ইউনাইটেড) জায়গা। এছাড়া কোচের পছন্দ আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি) এবং লুকাস পাকেতা (ফ্লামেঙ্গো)। অন্যান্য বিকল্পদের মধ্যে রয়েছেন ফাবিনিও, আন্দ্রে, এদেরসন (আতালান্তা), জারসন, জোয়াও গোমেস, জোয়েলিন্টন এবং মাতেউস পেরেইরা (বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে)।
আক্রমণভাগ:
আক্রমণে বিকল্পের অভাব নেই। ইনজুরির কারণে এস্তেভাওকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে। তবে নিশ্চিতভাবে দলে থাকবেন ম্যাথিউস কুনিয়া (ম্যান ইউনাইটেড), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা) এবং ভিনিসিউস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ)। জোয়াও পেদ্রো (চেলসি) ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি (আর্সেনাল) জায়গার দাবিদার।
উইং পজিশনে লড়াই করছেন লুইজ হেনরিক, অ্যান্টনি (বেতিস) এবং রায়ান (বোর্নমাউথ)। স্ট্রাইকার পজিশনে রয়েছেন রিচার্লিসন (টটেনহ্যাম), এন্দরিক (লিওঁ), ইগর জেসুস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), কাইও জর্জ (ক্রুজেইরো) এবং ভিতর রোকে (পালমেইরাস)।
এদিকে রদ্রিগো ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন রদ্রিগো।
নেইমার নিয়ে অনিশ্চয়তা:
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন নেইমারকে ঘিরেই। সাম্প্রতিক সময়ে ইনজুরি ও ফিটনেস সমস্যার কারণে তিনি সেরা ফর্মে নেই এবং তার বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত। সান্তোসে ফিরে গেলেও ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকতে পারছেন না। তবে তার লক্ষ্য বিশ্বকাপে খেলা, আর শেষ পর্যন্ত যদি তাকে দলে না নেওয়া হয়, তাহলে সেটি হবে বড় ধরনের চমক।
ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াডের সম্ভাব্য খেলোয়াড়রা:
গোলরক্ষক: অ্যালিসন(লিভারপুল), এদেরসন (ফেনেরবাচে), বেন্তো (আল নাসর), হুগো সৌজা (করিন্থিয়ান্স);
ডিফেন্ডার: ব্রেমার (জুভেন্তাস), ভিতর রেইস (জিরোনা), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল), মুরিলো (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), মারকিনিওস (পিএসজি), লুকাস বেরালদো (পিএসজি), আলেক্সসান্দ্রো (লিওঁ), রজার ইবনেজ (আল আহলি), লিও পেরেইরা (ফ্লামেঙ্গো), লিও অর্তিজ (ফ্লামেঙ্গো), দানিলো (ফ্লামেঙ্গো), ওয়েসলি (রোমা), ভ্যান্ডারসন (মোনাকো), পাওলো হেনরিকে (ভাস্কো দা গামা), ডগলাস সান্তোস (জেনিত), কার্লোস আগুস্ত (ইন্টার মিলান), কাইও হেনরিকে (মোনাকো), গুলহের্মে আরানা (ফ্লুমিনেন্স), আলেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো);
মিডফিল্ডার: ফাবিনিও (আল ইত্তিহাদ), ক্যাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি), দানিলো (বোতাফাগো), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালতাসারে), ব্রুনো গিমারায়েস (নিউক্যাসল ইউনাইটেড), জোয়েলিন্টন (নিউক্যাসল ইউনাইটেড) জোয়াও গোমেস (উলভারহ্যাম্পটন), এদেরসন (আতালান্তা), আন্দ্রেস পেরেইরা (পালমেইরাস), মাথেউস পেরেইরা (ক্রুজেইরো), জারসন (ক্রুজেইরো), লুকাস পাকেতা (ফ্লামেঙ্গো;
ফরোয়ার্ড: ভিনিসিউস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), রায়ান (বোর্নমাউথ), লুইজ হেনরিক (জেনিত), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি), ম্যাথিউস কুনিয়া (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), এন্দরিক (লিওঁ), রিচার্লিসন (টটেনহ্যাম), সামুয়েল লিনো (ফ্লামেঙ্গো), ইগর জেসুস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), পেদ্রো (ফ্লামেঙ্গো), নেইমার (সান্তোস), ভিতর রোকে (পালমেইরাস), অ্যান্টনি (বেতিস), এস্তেভাও।