বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্ত শেষে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামকে দেশের ক্রিকেটের কোনো কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন অভিযোগকারী জাতীয় দলের পেসার জাহানারা আলম।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ অভিযোগ জানান।
জাহানারা বলেন, আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারা একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, মিস্টার মঞ্জুকে শাস্তি দিয়েছেন। কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। কারণ, আমার সঙ্গে যা যা হয়েছে, আমি যা যা ফেস করেছি, সেই তুলনায় এই শাস্তি আমার কাছে খুব সামান্য মনে হয়েছে। আমি আরও অনেক বড় শাস্তি আশা করেছিলাম।
‘২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মঞ্জুরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের কাছ থেকে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন,‘(আমাকে) সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে, এমনকি আমাকে চরম পর্যায়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’
এ ঘটনায় শুধু মঞ্জুর নয়, তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও বিচার দাবি করেছেন জাহানারা।
তিনি বলেন, তৌহিদ মাহমুদ (নারী দলের সাবেক ম্যানেজার) তো মারা গেছেন, মঞ্জুর সামান্য শাস্তি হয়েছে। কিন্তু তার এই সহযোগী গ্রুপের তো কোনো বিচার হয়নি, শাস্তিও হয়নি।
ভিডিও বার্তায় নারী দলের সাবেক প্রধান কোচ আবদুর রাজ্জাকের কিছু মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন এই পেসার। জাহানারা বলেন,‘তিনি (আবদুর রাজ্জাক) আবারও মন্তব্য করেন তার ভাই মিস্টার মঞ্জুর নাকি অনেক বড় শাস্তি দেওয়া হয়ে গিয়েছে। মঞ্জু নাকি এত বড় শাস্তি ডিজার্ভ করে না। তিনি মন্তব্য করেন যে নারী ক্রিকেটাররা নাকি সমঝোতা করে ক্রিকেট খেলে বলে তিনি মনে করেন।’
ভিডিও বার্তায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছেও তিনটি দাবি তুলে ধরেন জাহানারা। তিনি বলেন, মঞ্জুরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগ জানানোর পর অন্য অঙ্গনের কিছু ক্রীড়াবিদও একই ধরনের হয়রানির অভিযোগ করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
জাহানারার মতে, এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত না হলে সংশ্লিষ্ট ক্রীড়াবিদদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হবে না। এ ছাড়া নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানের সেফগার্ডিং নীতি প্রণয়নের জন্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।