বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি না ঘটলে আগামী ৪ মে থেকে মাঠে গড়াতে পারে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল)। এবারের আসরেও ১২টি দল অংশ নেবে বলে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ দেখতে গিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু।
আগামী ১৮ ও ১৯ এপ্রিল ডিপিএলের দলবদল হওয়ার কথা রয়েছে। সেই দলবদলের পরপরই লিগ নিয়ে শুরু হবে ক্লাবগুলোর ব্যস্ততা। বিসিবির পক্ষ থেকেও ব্যস্ততা থাকবে মাঠের মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে।
এ প্রসঙ্গে গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতার ভেতরেও একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম দিন দিন উন্নত হচ্ছে। আমরা এটা এনশিওর করেছি যে আম্পায়ারিং থেকে শুরু করে মাঠের কন্ডিশন পর্যন্ত সবকিছু আন্তর্জাতিক মানের বা এ-গ্রেডের করা হবে। আমাদের গ্রাউন্ডস কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে এই ফ্যাসিলিটিজগুলো নিশ্চিত করতে।
ক্লাবগুলোর সুযোগ-সুবিধা এবং ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়ে তার ভাষ্য, গরমে ক্রিকেটারদের কষ্টের কথা চিন্তা করে বিসিবির পক্ষ থেকে লাঞ্চের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে প্রতিটি ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিটি মাঠে অ্যাম্বুলেন্সসহ একটি মেডিকেল টিম রাখার চেষ্টা করব আমরা।
আম্পায়ারিং নিয়ে অতীতে থাকা বিতর্ক দূর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের এখানে আগে আম্পায়ারিং নিয়ে অনেক বিতর্ক ছিল। যার ফলে দেশের ক্রিকেট পিছিয়ে যাচ্ছিল। আমি আম্পায়ারদের স্পষ্ট বলেছি যে তাদের কোনো নির্দিষ্ট টিম নাই, তারা বিচারকের দায়িত্বে আছেন। আল্লাহর দরবার থেকে আসা এই দায়িত্বে কোনো অনিয়ম করা যাবে না।
উইকেটের মান নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বাবু বলেন, খেলোয়াড়রা যাতে স্পোর্টিং উইকেট পায় সেদিকে আমরা বিশেষ নজর রাখছি। আমাদের অভিজ্ঞ কিউরেটররা কাজ করছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব যাতে ভালো উইকেটে খেলা হয় এবং বাংলাদেশের ক্রিকেট আগের অবস্থায় ফিরে আসে।