বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জার্মান বুন্দেসলিগার মঞ্চে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবার (১১ এপ্রিল) সেন্ট পাউলির বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ম্যাচে ৫-০ গোলের বড় জয় তুলে নিয়ে তারা গড়ে তুলেছে এক অনন্য কীর্তি। এ জয়ের মধ্য দিয়ে বায়ার্ন ভেঙে দিয়েছে ৫৪ বছর ধরে অটুট থাকা একটি ঐতিহাসিক রেকর্ড।
১৯৭১-৭২ মৌসুমে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, গার্ড মুলার ও উলি হোয়েনেসদের নিয়ে গড়া বায়ার্নের সেই কিংবদন্তি দল এক মৌসুমে ১০১টি গোল করার যে মাইলফলক স্থাপন করেছিল, ভিনসেন্ট কোম্পানির বর্তমান দলটি পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখেই তাকে ছাড়িয়ে গেল। বর্তমানে লিগে বায়ার্নের মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৫-এ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করা বায়ার্ন নবম মিনিটে জামাল মুসিয়ালার দারুণ এক হেডে লিড নেয়। এই গোলের মাধ্যমেই তারা ১৯৭১-৭২ মৌসুমের ১০১ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসায়। এরপর ম্যাচের ৫৩ মিনিটে লিওন গোরেৎস্কা লক্ষ্যভেদ করলে সৃষ্টি হয় নতুন ইতিহাস; বায়ার্ন পৌঁছে যায় ১০২ গোলের চূড়ায়। রেকর্ড ভাঙার সেই আনন্দ উদযাপনে মেতে ওঠেন পুরো দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা। এমনকি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকেও সাইডবেঞ্চে সতীর্থদের সঙ্গে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।
রেকর্ড ভাঙা গোলের কিছুক্ষণ পরেই ব্যবধান ৩-০ করেন মাইকেল অলিস। এই মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা অলিস গোল করার পাশাপাশি করিয়েছেনও অনেক, যা তাকে টমাস মুলারের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ১৮টি অ্যাসিস্টের রেকর্ডের খুব কাছে নিয়ে গেছে। ম্যাচের বাকি গোল দুটি আসে নিকোলাস জ্যাকসন ও রাফায়েল গেরেইরোর পা থেকে। এই জয়ের ফলে ২৯ ম্যাচে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপার আরও কাছে পৌঁছে গেল বাভারিয়ানরা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বরুশিয়া ডর্টমুন্ড বর্তমানে ১২ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গুরুত্বপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনালের কথা বিবেচনা করে দলের প্রধান স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনকে এই ম্যাচে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল। মৌসুমে ৩১ গোল করা কেইন রবার্ট লেভানডভস্কির ৪১ গোলের রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় থাকলেও, তার অনুপস্থিতি বায়ার্নের গোল উৎসবে কোনো বাধা হতে পারেনি।
বর্তমান গতি বজায় থাকলে বায়ার্ন মৌসুম শেষে সিরি-এ’র ১২৫ গোলের সর্বকালীন ইউরোপীয় রেকর্ডটিও ভেঙে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৩৫তম বুন্দেসলিগা শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকা বায়ার্ন মিউনিখ আবারও প্রমাণ করল কেন তারা জার্মান ফুটবলের অবিসংবাদিত সম্রাট।