বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শুরুটা জয়ে হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি মুস্তাফিজদের দল লাহোর কালান্দার্স। ম্যাচ চলাকালে বলের অবস্থা পরিবর্তনের অভিযোগে দলটিকে ৫ রানের শাস্তি দেওয়া হয়, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে।
রোববার (২৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত ম্যাচে এই পেনাল্টির কারণে খেলার সমীকরণ পাল্টে যায়। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে যোগ হওয়া অতিরিক্ত ৫ রান প্রতিপক্ষের জন্য সুবিধা তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত লাহোর কালান্দার্সকে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হারতে হয়, ফলে টানা জয়ের আশা ভঙ্গ হয় মুস্তাফিজ-ইমনদের দলের।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নামে লাহোর। দলটির সবমোট সংগ্রহ ছিল ১২৮ রান। জয়ের জন্য ১২৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় করাচি। বোলিংয়ে মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট, আর ইমন ব্যাট হাতে করেন ১২ বলে ১২ রান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে করাচি। মাত্র ১০ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও সালমান আলি আগা। দুজনকেই সাজ ঘরে পাঠিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি।
এরপর ইনিংস সামাল দেন ওয়াসিম। তরুণ সাদ বেগ ও মঈন আলিকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। ৩৯ রানে সাদ বেগকে আউট করেন মুস্তাফিজ। পরে ৩৭ বলে ৩৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে শাহিনের বলেই বিদায় নেন ওয়াসিম। একই ওভারে মঈন আলিও (১৮) আউট হলে করাচির সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৮/৫। সেখান থেকে খুশদিল শাহ ও আজম খানের ৩২ রানের জুটি ম্যাচে ফেরায় করাচিকে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৪ রান। তবে বল পরিবর্তনজনিত কারণে লাহোরকে ৫ রানের পেনাল্টি দিলে লক্ষ্য নেমে আসে ৯ রানে। হারিস রউফ শেষ ওভারের প্রথম বলেই খুশদিল শাহকে (১৩) ফিরিয়ে দিলেও, নতুন ব্যাটার আব্বাস আফ্রিদি টানা একটি চার ও একটি ছক্কা মেরে নাটকীয় জয় নিশ্চিত করেন। লাহোরের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শাহিন, ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে লাহোর ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৮ রান তোলে। আব্দুল্লাহ শফিক ২৪ বলে ৩৩ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন। সিকান্দার রাজা করেন ১৯ রান এবং হাসিবুল্লাহ খান যোগ করেন ২৮ রান। করাচির হয়ে অ্যাডাম জাম্পা, মির হামজা ও মঈন আলি নেন দুটি করে উইকেট।