বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইরানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত এই ম্যাচের আয়োজন ঘিরে জটিলতা দেখা দেওয়ায় বিকল্প ভেন্যুতেও খেলতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড দল।
ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ ও তাদের ম্যাচ আয়োজন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। তবে টুর্নামেন্টের মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করা দলগুলোর মধ্যে ইরানও রয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু ইরান ফুটবল ফেডারেশন যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় নিউজিল্যান্ড দল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন হলে ভেন্যু পরিবর্তন হলেও তা মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলের খেলোয়াড়রা।
দেশটির মিডফিল্ডার রায়ান থমাস বলেন, যোগ্যতা অর্জন করে ইরান বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছে। যদি আমাদের মেক্সিকো বা কানাডায় খেলতে হয়, তাহলে সেখানেই খেলব। এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে বিশ্বকাপ। এই সময়ে নিউজিল্যান্ডের ঘাঁটি হবে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো শহরে, যা মেক্সিকো সীমান্তের খুব কাছেই।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত তার দেশ। তবে ভেন্যু পরিবর্তনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা।
অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক উইঙ্গার কোস্তা বারবারুসেস বলেন, এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই নেবে। তবে ভেন্যু বদল হলেও আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। প্রথম ম্যাচের আগে আমাদের নির্দিষ্ট বেস রয়েছে, তাই সমস্যা দেখি না।
ইরানের বাকি দুটি গ্রুপ ম্যাচও যুক্তরাষ্ট্রেই হওয়ার কথা; বেলজিয়ামের বিপক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং মিশরের বিপক্ষে সিয়াটলে।
তবে সম্ভাব্য ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং বর্তমান সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্ট আয়োজনের দিকেই নজর রয়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলেসে ম্যাচটি ঘিরে নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন বারবারুসেস। তবে আয়োজকদের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি, এত বড় একটি টুর্নামেন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি চাই আমার পরিবার সেখানে থাকুক এবং তাদের জন্য নিরাপদ মনে করি।
২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচ শুরুর আগে বাড়তি চাপ থাকলেও দল সেটি সামলাতে পারবে বলে বিশ্বাস থমাসের, প্রথম ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই চাপ থাকে। তবে মাঠে আমরা সেটা সামলাতে পারব বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।