বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পাকিস্তান-বাংলাদেশ সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অঘোষিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে। এই ম্যাচে যে দল জিতবে, তারাই সিরিজের ট্রফি জিতবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাট হাতে ভালো সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে লিটনরা।
তানজিদ হাসান তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির ওপর ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তামিমের শতক দলের বড় পুঁজি গড়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখন জয়ের জন্য পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলায় টসভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় পাকিস্তান। ব্যাটিং পায় বাংলাদেশ।
তবে টস পক্ষে না গেলেও ওপেনিংয়ে দুর্দান্ত করেছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাইফ হাসান আর তানজিদ হাসান তামিমের উদ্বোধনী জুটিতে ১৭.৪ ওভারেই আসে ১০০ রান। চলতি সিরিজে তিন ম্যাচে দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন তানজিদ তামিম। আজ তিনি ফিফটি করেন ৪৭ বলে। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি।
তামিম-সাইফের ওপেনিং জুটিটি ভাঙে ১০৫ রানে। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ডাউন দ্য উইকেটে চড়াও হতে গিয়ে লাইন মিস করে বোল্ড হন সাইফ (৩৬)।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৫৩ রানের আরেকটি জুটি গড়েন তামিম। হারিস রউফের বলে এলবিডব্লিউ হন শান্ত (২৭), রিভিউ নিয়েও কাজ হয়নি।
তবে ছক্কা হাঁকিয়ে ৯৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ তামিম। তার দারুণ এই ইনিংসটি থামান আবরার আহমেদ। কভারে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম। বল সমান ১০৭ রানের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি আর ৭টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ওপেনার।
এরপর লিটন দাস ৫১ বলে ৪১ আর শেষদিকে তাওহিদ হৃদয় ৪৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে করেন অপরাজিত ৪৮ রান। আফিফ হোসেন ৮ বল খেলে মাত্র ৫ রান রান করতে পারেন। নাহলে হয়তো তিনশ পার করা কঠিন হতো না বাংলাদেশের।
পাকিস্তানের হারিস রউফ ৫২ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট।