বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পাকিস্তানি ব্যাটার সালমান আলী আঘা মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রান-আউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় ক্ষোভ প্রকাশ করায় শাস্তির মুখে পড়েছেন। আউট হওয়ার পর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে তিনি ব্যাট ও গ্লাভস ছুড়ে মারেন, যা আচরণবিধি ভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘটনার পর ম্যাচ রেফারি তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে তিরস্কার করা হয়েছে এবং তার নামে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে।
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, যেখানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল।
ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের ইনিংসের ৩৯তম ওভারে। মেহেদী হাসান মিরাজের একটি বল মোহাম্মদ রিজওয়ান বোলারের দিকে ঠেলে দেন। মিরাজ বলটি পা দিয়ে আটকালেও সেটি কাছেই পড়ে ছিল। সালমান আঘা ক্রিজের বাইরে থাকা অবস্থায় বলটি কুড়িয়ে মিরাজকে ফেরত দিতে যান। কিন্তু বলটি তখনও 'ডেড' না হওয়ায় মিরাজ ক্ষিপ্রতার সাথে বল কুড়িয়ে স্টাম্পে লাগিয়ে দেন। থার্ড আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা সালমানকে আউট ঘোষণা করেন।
ক্রিকেটীয় আইনে সম্পূর্ণ বৈধ হলেও এই আউট মেনে নিতে পারেননি সালমান আঘা। সাজঘরে ফেরার পথে তিনি লিটন দাসের সাথে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। তবে সবচেয়ে বড় অপরাধটি করেন মাঠ ছাড়ার ঠিক আগে; রাগে নিজের ব্যাট এবং গ্লাভস জোড়া ছুড়ে ফেলে দেন। সালমানের এই কাজকে আইসিসির আচরণবিধির ২.২ ধারার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করেছেন ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ। এটা ক্রিকেট সরঞ্জাম বা পোশাকের অবমাননার সামিল।
আইসিসির দৃষ্টিতে এটি লেভেল-১ অপরাধ। সালমানের আগে এমন কোনো রেকর্ড না থাকায় তাকে তিরস্কারের সাথে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। লিটনের সাথে সালমানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়কে ম্যাচ রেফারি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে গণ্য করেছেন, তাই সে বিষয়ে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। সালমান আঘা শাস্তি মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজনও হয়নি। ম্যাচটি ডিএলএস পদ্ধতিতে ১২৮ রানে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান।