বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে এক মুহূর্তের উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত শাস্তি ডেকে আনল মোহাম্মদ নবীর জন্য। আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের নির্দেশ অমান্য ও দীর্ঘ তর্কে জড়ানোর ঘটনায় ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা গুনতে হচ্ছে আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারকে। পাশাপাশি তার নামের পাশে যুক্ত হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।
গতকাল বুধবার আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘ডি’ এর ম্যাচে আফগানিস্তানের ইনিংসের ১৪তম ওভারে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার লুঙ্গি এনগিদির রিস্টব্যান্ড সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে মাঠের আম্পায়ার সৈকতের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন নবী।
আইসিসির আচরণবিধি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ প্রকাশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ করা বা মানতে অস্বীকৃতি জানানো শৃঙ্খলাভঙ্গের আওতায় পড়ে। তদন্তে দেখা যায়, নবীর আচরণ ‘লেভেল-১’ অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। আইসিসির আচরণবিধির ২.৪ ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেভেল-১ অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সতর্কবার্তা থেকে শুরু করে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি ১ বা ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হতে পারে।
ডিমেরিট পয়েন্টের বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২৪ মাসের মধ্যে কোনো খেলোয়াড়ের ডিমেরিট পয়েন্ট সংখ্যা ৪ এ পৌঁছালে তা ম্যাচ নিষেধাজ্ঞায় রূপ নেয়। অর্থাৎ ভবিষ্যতে এমন আচরণ পুনরাবৃত্তি হলে বড় শাস্তির ঝুঁকি থাকবে।
এই ঘটনার ক্ষেত্রে নবী দোষ স্বীকার করায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। গত দুই বছরে এটি তার প্রথম শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে চাপ থাকে বহুগুণ বেশি। বিশেষ করে গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রতিটি সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সংযম আশা করা হয়। নবী দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন এবং আফগানিস্তান দলে নেতৃত্বের ভূমিকাও পালন করেছেন।