বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আইপিএলে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজকে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটার এত দামে বিক্রি হননি।
কিন্তু অঘটন ঘটতে সময় লাগলো না। ভারতে উগ্রপন্থীদের বিরোধিতায় শেষ পর্যন্ত ৩ জানুয়ারি মোস্তাফিজকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দেয় বিসিসিআই। ফলে ক্রিকেট নিয়ে মাঠের বাইরের খেলাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আসল ক্ষতিটাও তাদেরই এবং এই খেলারও। খেলা হয়ে উঠলো রাজনীতি।
সব মিলিয়ে এসব বিরোধে কারও কি কোনো লাভ হলো? বাংলাদেশের দর্শকেরা টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দলের খেলা দেখার সুযোগ পাবেন না। ভারত ও পাকিস্তানের দর্শকেরা দেখতে পাবেন না সবচেয়ে কঙ্ক্ষিত ম্যাচটি—ভারত ও পাকিস্তানের লড়াই। এই ম্যাচ অবশ্য কোনো দলের সমর্থকই দেখার সুযোগ পাবেন না। কিন্তু ম্যাচটা যেহেতু ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে, তাই তাদের দর্শকদের যতটা কষ্ট লাগবে, ততটা সম্ভবত বাকিদের লাগবে না। তাহলে? ‘গোল’ তো আসলে নিজেদের জালেই হচ্ছে! টিকিট বিক্রি, স্পন্সরসহ সবকিছু মিলিয়ে আইসিসির ক্ষতি ৬ হাজার কোটি টকার বেশি।
চাইলে স্কটল্যান্ডের উদাহরণ দিয়ে বলতে পারেন, কেন তাদের তো লাভ হলো। বটে! বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়ায় কাগজে–কলমে ও ইতিহাসের পাতায় স্কটল্যান্ডের লাভ হলো ঠিকই, কিন্তু এভাবে কি বিশ্বকাপে তারাও খেলতে চেয়েছিল? যোগ্যতাবলে না উঠে কোনো দল কি এভাবে বিশ্বকাপে খেলতে চায়? ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেডের কথাটা নিশ্চয়ই মনে আছে, ‘আমরা কখনোই এভাবে বিশ্বকাপে যেতে চাইনি। বিশ্বকাপের একটি নির্দিষ্ট বাছাইপ্রক্রিয়া আছে। কেউই এমন পথে বিশ্বকাপে খেলতে বা আমন্ত্রণ পেতে চায় না।’
ব্যাপারটা আরও একবার শুরু থেকে দেখা যাক—একটি দেশের ঘরোয়া লিগ থেকে একজন খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হলো। এর প্রতিক্রিয়ায় ধীরে ধীরে বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসর নিয়ে বিতর্ক–বিরোধিতায় জড়িয়ে পড়ল তিন দেশ।