বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

একদিনে নিরাপত্তাঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে গিয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ভারতই বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের ভিসা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে থেকে শুরু করে বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া প্রায় প্রতিটি দলের কয়েকজন করে ক্রিকেটারকে ভিসা দিচ্ছে না ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারত এবং শ্রীলঙ্কা হচ্ছে যৌথ আয়োজক। অধিকাংশ ম্যাচই অবশ্য ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যে কারণে প্রতিটি দেশের ক্রিকেটাররা সরকারি নির্দেশ বা জিও নিয়ে ভারতের ভিসা করতে পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা দিচ্ছে না আইসিসি।
কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা সংখ্যাটা জানিয়েছে, ৪২জন। অর্থ্যাৎ, বিভিন্ন দেশের মোট ৪২জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে ভিসা দিচ্ছে না ভারত। অথচ, এদের অনেকেই এর আগে আইপিএলসব দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা অন্য কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে ভারতে এসেছিলেন।
এতসংখ্যক ক্রিকেটারকে ভিসা না দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে খোদ আইসিসিও। যে কারণে, এই সমস্যা মেটাতে কাজ করছে এখন জয় শাহ’র নেতৃত্বাধীন আইসিসি।
ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ ও সাকিব মাহমুদ, আমেরিকার আলি খান, শায়ন জাহাঙ্গির, নেদারল্যান্ডসের জুলফিকর সাকিব, জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজার মতো ক্রিকেটাররা পাক-বংশোদ্ভূত। এই দেশগুলি ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইতালি ও কানাডাতেও পাক-বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার রয়েছেন। সব মিলিয়ে মোট ৪২ জন পাক-বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার খেলবেন এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে।
সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তা খতিয়ে দেখছে আইসিসি। জানা গেছে, ইতোমধ্যে আদিল, রেহান ও সাকিব ভিসা পেয়ে গেছেন। নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটার ও কানাডার সাপোর্ট স্টাফ শাহ সালিম জাফরও ভিসা পেয়ে গেছেন। বাকিদের যত দ্রুত সম্ভব ভিসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে তারা ভারতে আসার ভিসা পেয়ে যাবেন বলে খবর।
ভারতের ভিসা নীতি অনুযায়ী, ভিসার আবেদন করতে হলে জন্ম নেওয়া দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হয়। অর্থাৎ, এসব ক্রিকেটারকে পাকিস্তানের পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভিসার আবেদন করতে হয়েছে। সেখানেই সমস্যা হচ্ছে। আইসিসি বিভিন্ন দেশের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। নথির কারণে যাতে কোনও ক্রিকেটারের ভিসা আটকে না যায় তা খতিয়ে দেখছে তারা।
২০১৯ সালে পাক বংশোদ্ভূত সিকান্দার ও সাকিব জুলফিকর এবং ২০২৩ সালে শিরাজ আহমেদ ভারতে খেলতে আসার ভিসা পাননি। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার উসমান খাজা, ২০২৪ সালে ইংল্যান্ডের রেহান ও শোয়েব বশিরেরও ভিসা পেতে সমস্যা হয়েছিল। তারাও পাক বংশোদ্ভূত। এবার যাতে সেই ঘটনা না ঘটে তার দিকে নজর রেখেছে জয় শাহ’র আইসিসি।