বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের লজ্জাজনক হারের রাতেই জাতীয় দলের ফুটবলারদের নাইট ক্লাবে ফূর্তি করার ছবি ফাঁসের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল হক। চরম ব্যর্থতার পরও ফুটবলারদের এমন উদাসীন কাণ্ড ও দায়িত্বশীলদের নজরদারির ঘাটতি খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
গত ১ অক্টোবর আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ। কিন্তু ম্যাচের ক্ষত না শুকোতেই ওই রাতেই জাতীয় দলের উইঙ্গার সাদ উদ্দিন ও মিডফিল্ডার সোহেল রানা একাধিক নারীর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার একটি নাইট ক্লাবে আনন্দে মেতে ওঠেন। নারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা ওই ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
দেশের ফুটবলের এই বিপর্যয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এমন ন্যক্কারজনক হারের পর ফুটবলাররা কীভাবে আনন্দ উদযাপনে মেতে ওঠার দুঃসাহস দেখান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, রেজাল্ট যাই হোক না কেন সংশ্লিষ্ট সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে এবং দোষীদের ক্রীড়া ভাতাসহ সব সুযোগ-সুবিধা বাতিল করে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তের তির এখন দলের সঙ্গে যাওয়া কর্মকর্তা ও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুর দিকে। অভিজ্ঞ আমের খানকে হটিয়ে বাফুফের নির্বাহী কমিটির হস্তক্ষেপে দায়িত্ব পাওয়া বাবু কীভাবে এমন শৃঙ্খলাভঙ্গ ঘটতে দিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গভীর রাত পর্যন্ত খেলোয়াড়রা হোটেলের বাইরে থাকলেও ম্যানেজমেন্ট কেন নির্বিকার ছিল, মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি তা নিবিড়ভাবে তদন্ত করছে।