বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

তৃতীয় টেস্টেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন ২৫ বছর বয়সী ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় -ছবি : সংগৃহীত
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে আগেই অভিষেক হয়েছিল তাওহীদ হৃদয়ের। তবে টেস্ট ক্রিকেটে তার পথচলা শুরু হয়েছে এ বছর জিম্বাবুয়ে সফরে। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ইনিংসে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও তৃতীয় টেস্টেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম শতক।
১৭১ বল মোকাবিলা করে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান হৃদয়। তার এই ইনিংসের সুবাদে বড় বিপর্যয়ের মুখেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের দিনে দলীয় অবস্থান এখনো স্বস্তিদায়ক নয়।
তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬৯ ওভারে ৭ উইকেটে ২০৫ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৫১ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা। হৃদয়ের সঙ্গে ক্রিজে আছেন তাইজুল ইসলাম। চোটের কারণে আগের দিন মাঠ ছাড়া সাদমান ইসলাম এই ইনিংসে আর ব্যাট করতে পারবেন না বলে জানা গেছে। ফলে বাংলাদেশের হাতে কার্যত বাকি রয়েছে আর একটি উইকেট।
দিনের শুরুতে সতর্ক ব্যাটিংয়ে এগোচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও হৃদয়। তবে ইনিংসের ৪৮তম ওভারে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে শর্ট কভারে ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩৪ রানে ফিরে যান মুশফিক। এতে ভাঙে তাদের ৭৩ রানের জুটি। একই সঙ্গে টেস্টে সাত হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষাও আরও দীর্ঘ হয় তাঁর।
এর কিছুক্ষণ পর ওয়ারিক্যানের ফুল লেংথ ডেলিভারিতে কাভারে কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৮ রানে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হৃদয়। তবে ৩০ বলে ১৬ রান করে রস্টন চেজের বলে স্লিপে জাস্টিন গ্রিভসের হাতে ক্যাচ দেন মিরাজ। পরে হাসান মাহমুদও ওয়ারিক্যানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান।
এক প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মধ্যেও ধৈর্য ধরে ব্যাটিং চালিয়ে যান হৃদয়। ১০৯ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ইনিংস আরও বড় করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৭১ বলে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলকে দুইশ রানের গণ্ডি পার করান এই ডানহাতি ব্যাটার।
এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র ১২ রান করেছিলেন হৃদয়। পরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অপরাজিত ৩৫০ রানের ইনিংস খেলে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই পারফরম্যান্সের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের দলে জায়গা পান। মিরপুর টেস্টে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না থাকলেও সিলেটে নিজের তৃতীয় টেস্টেই প্রথম শতক তুলে নিয়ে জবাব দিলেন সমালোচনার।