বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে রচিত হলো একটি ঐতিহাসিক ও আবেগঘন মুহূর্ত। সতীর্থরা দৌড়ে এসে প্রিয় অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে জড়িয়ে ধরেন; কারও চোখে জল, কারও মুখে শ্রদ্ধার হাসি, আর গ্যালারিজুড়ে হাজারো ভক্তের কণ্ঠে একটাই প্রতিধ্বনি—‘মেসি, মেসি’। ঘরের মাঠে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের অবিস্মরণীয় আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি টানলেন এই ফুটবল জাদুকর।
বিদায়ী ম্যাচটিকে নিজের চেনা শৈলীতে রাঙিয়ে তোলেন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। ম্যাচে একটি গোল করার পাশাপাশি দুটি গোলেই সরাসরি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মেসির নিখুঁত কর্নার কিকে মাথা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে নেন নিকোলাস ওতামেন্দি। এরপর ৬০ মিনিটে মেসির চমৎকার পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজ।
খেলার ৬৮ মিনিটে আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পেলে পুরো গ্যালারি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে। ৭১ মিনিটে স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখেন মেসি। এটি ছিল আকাশি-সাদা জার্সিতে তাঁর ক্যারিয়ারের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোল।
ম্যাচ শেষ হতেই পুরো মাঠের মনোযোগ নিবদ্ধ হয় কেবল মেসির ওপর। সতীর্থদের পাশাপাশি প্রতিপক্ষ বেনিনের ফুটবলার ও ম্যাচ অফিশিয়ালরাও এসে তাঁর প্রতি সম্মান জানান। বিদায়ের ক্ষণে স্টেডিয়ামের আকাশে বিশেষ ড্রোন শোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় ‘Gracias Leo’ (ধন্যবাদ লিও) বার্তাটি।
জাতীয় দলের হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্ট—এমন সোনালী পরিসংখ্যান গড়ে আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রাখলেন বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকাজয়ী এই কিংবদন্তি।