বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ব্রাইডন কার্স
ডার্বির একটি নাইট ক্লাবে ঘটে যাওয়া আলোচিত বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়েছেন ইংল্যান্ডের ফাস্ট বোলার ব্রাইডন কার্স। ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার দায়ে এই ডানহাতি পেসারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) স্বাধীন তদারকি সংস্থা ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’। ৩১ বছর বয়সী এই পেসারের বিরুদ্ধে আচরণবিধির ৩.২ ধারা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে ক্রিকেট রেগুলেটরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘বিষয়টি এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য একটি স্বাধীন ডিসিপ্লিন প্যানেলের কাছে হস্তান্তর করা হবে। যেহেতু আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে, তাই এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।’
ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৩ আগস্ট। তার আগের দিন ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে জয় পেয়েছিল ডারহাম। সেই জয় উদ্যাপন করতে সতীর্থদের সঙ্গে ডার্বির একটি নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন কার্স। সেখানে মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের সন্দেহে পুলিশ তাঁকে আটক করে। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় পুলিশ কার্সকে হাতকড়া পরিয়ে নাইট ক্লাব থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। ওই ভিডিওতে তাঁর কাউন্টি ও জাতীয় দলের সতীর্থ বেন স্টোকস এবং ম্যাথু পটসকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। ডার্বিশায়ার পুলিশ প্রাথমিকভাবে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগও খতিয়ে দেখে, তবে গত মাসে কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই সেই পুলিশি তদন্ত শেষ করা হয়।
পুলিশ রেহাই দিলেও ক্রিকেটীয় শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে পারেননি কার্স। এ ঘটনার পরপরই পাকিস্তানের বিপক্ষে লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াড থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে জাতীয় দলের কোনো ফরম্যাটেই তাঁকে বিবেচনা করা হয়নি। ইংল্যান্ডের সাদা বলের নিয়মিত অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময় জানিয়েছিলেন, মাঠের বাইরের ঝামেলা কাটিয়ে উঠতে কার্সের কিছু সময় বিরতি প্রয়োজন ছিল।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে অ্যাশেজ শেষ হওয়ার পর থেকে ইংল্যান্ডের হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেললেও ডারহামের কাউন্টি দ্বিতীয় বিভাগের শিরোপা জয়ে মাঠে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
অভিযুক্ত কার্সকে এখন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসিবির স্বাধীন ডিসিপ্লিন প্যানেলের মুখোমুখি হতে হবে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো জানিয়েছে, শুনানির পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে দীর্ঘ মেয়াদের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে পারেন এই পেসার; আবার বিষয়টি শুধু সতর্কবার্তা বা তিরস্কারের মধ্যেও সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।