বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বকে সামনে রেখে যশোরের হামিদপুরে শামস্-উল-হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে চলছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ফুটবল দলের নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্প। বাছাইয়ে ভালো ফল করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দলের খেলোয়াড়দের দক্ষতা ও দলীয় সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার ( ২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অ্যাকাডেমির মাঠে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের প্রধান কোচ লডউইক ডি ক্রুইফ অ্যাকাডেমির অবকাঠামো, প্রশিক্ষণের পরিবেশ এবং সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
কোচ বলেন,বয়সভিত্তিক ফুটবলে কেবল জয়-পরাজয়ই শেষ কথা নয়, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও মানোন্নয়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ ফুটবলারদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উন্নত থাকা-খাওয়া ও পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। সঠিক পরিবেশ ও সুপরিকল্পনা থাকলেই কেবল তাদের আরও উন্নত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
আবহাওয়াজনিত কিছু প্রতিকূলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়ার কারণে মাঝে মাঝে মাঠে অনুশীলনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও দলের সার্বিক প্রস্তুতি বেশ ভালোভাবে এগোচ্ছে। বাছাইপর্বে ভালো করার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের সার্বিক উন্নয়নে তারা নিবিড়ভাবে কাজ করছেন।
বাংলাদেশ ফুটবলের সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে নেদারল্যান্ডসের এই অভিজ্ঞ কোচ জানান, গত এক দশকে বাংলাদেশের ফুটবলে যে দৃশ্যমান পরিবর্তন ও উন্নতি এসেছে, তা সত্যিই আনন্দের। মামুনুল, জাহিদ, জামাল, তপু ও সোহেল রানার মতো জাতীয় দলের কৃতী খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।
বাফুফের বর্তমান পরিবর্তনগুলোকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাফুফেতে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে, আমি মনে করি তা দেশের ফুটবলের সার্বিক উন্নতির জন্যই কল্যাণকর। বাংলাদেশের ফুটবলের সামগ্রিক পরিবেশ ক্রমশ আরও ভালো হচ্ছে।
বাংলাদেশ ছাড়ার পেছনের কারণ সম্পর্কে ডি ক্রুইফ জানান, ব্যক্তিগত কারণ এবং বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনার দায়িত্ব পড়ায় তাকে একসময় বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি নাইজেরিয়ায় প্রায় দুই বছর স্কাউটিং, একাডেমি পরিচালনা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের উন্নয়নে কাজ করেছেন। তার সেই কাজের সুবাদে বেশ কয়েকজন নাইজেরিয়ান খেলোয়াড় ইউরোপের বিভিন্ন শীর্ষ লিগে খেলার সুযোগ পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, তরুণ খেলোয়াড়দের সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে তাদের সামনে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের মেলে ধরার উজ্জ্বল সুযোগ তৈরি হয়। তাই বয়সভিত্তিক দলগুলোর প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি ফুটবল পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শামস্-উল-হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমির পরিচালক (প্রশাসন) শেখ শামস উল বারী শিমুল এবং অ্যাকাডেমির যুগ্ম-পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক কৃতি গোলকিপার মাসুদুর রহমান টনি।