বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সেঞ্চুরি উদযাপনে ট্রাভিস হেড
ট্রাভিস হেডের সেঞ্চুরি মানেই অস্ট্রেলিয়ার জয়—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহুবার প্রমাণিত এই সমীকরণ আরও একবার সত্য প্রমাণিত হলো হারারেতে। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হেডের বিধ্বংসী ১১২ রানের ওপর ভর করে জিম্বাবুয়েকে ৮৪ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২–০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিল সফরকারীরা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি ছিল হেডের ২০তম শতক (১২টি টেস্ট ও ৮টি ওয়ানডে)। তাঁর সেঞ্চুরি পাওয়া ২০ ম্যাচের কোনোটিতেই হারেনি অস্ট্রেলিয়া—১৯টিতে এসেছে সরাসরি জয়, বাকি একটি হয়েছে ড্র।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই তাণ্ডব চালান হেড ও অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। উদ্বোধনী জুটিতে ১৯ ওভারেই ১৩০ রান তোলে এই জুটি। মার্শ ৬৩ বলে ৫৩ রান করে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে বিদায় নিলেও হেড ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করার পর ৭৫ বলেই ক্যারিয়ারের অষ্টম ওয়ানডে শতকে পৌঁছান তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৪ বলে ১১২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
হেডের বিদায়ের পর মাঝের ওভারগুলোতে দায়িত্বশীল ব্যাটিং উপহার দেন কুপার কনোলি। ৬৯ বলে ৭৮ রানের চমৎকার ইনিংসে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষ দিকে তরুণ অলিভার পিকের ১৮ বলে অপরাজিত ৪১ রানের ক্যামিওতে বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় অজিরা। ইনিংসের শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্সকে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে একাই ২৪ রান নেন পিক। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫৬ রানের পাহাড় গড়ে অস্ট্রেলিয়া, যা ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ (আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১৪ সালে ৬ উইকেটে ৩৫০ রান)।
জবাবে ৩৫৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আস্কিং রানরেটের চাপে পিষ্ট হয় জিম্বাবুয়ে। দলটির প্রথম আটজন ব্যাটারই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কেউ ইনিংস বড় করে ফিফটি করতে পারেননি। সিকান্দার রাজার ৪৫, ব্রেন্ডন টেইলরের ৩৯ এবং ক্রেইগ আরভিনের ৩৮ রানের ওপর ভর করে ইনিংসের ৯ বল বাকি থাকতে ২৭২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন কনোলি, ম্যাট রেনশ ও জশ হ্যাজলউড।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩৫৬/৬ (হেড ১১২, কনোলি ৭৮, মার্শ ৫৩, পিক ৪১*; ইভান্স ৩/৮৬, মাসাকাদজা ২/৫১)
জিম্বাবুয়ে: ৪৮.৩ ওভারে ২৭২ (রাজা ৪৫, টেইলর ৩৯, আরভিন ৩৮, কাইয়া ৩৪; কনোলি ২/২৫, রেনশ ২/৪৪, হ্যাজলউড ২/৪৮)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৮৪ রানে জয়ী (সিরিজে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে)।