বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

লিওনেল মেসি
লিওনেল মেসির দৃষ্টিনন্দন হেডার ও নিখুঁত এক অ্যাসিস্টে মেক্সিকান জায়ান্ট ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ক্যাম্পিওনেস কাপের শিরোপা ঘরে তুলল ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ও মেক্সিকান লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়নদের মধ্যকার এই বার্ষিক লড়াইয়ে পূর্ণ আধিপত্য দেখিয়ে জয় তুলে নেয় ফ্লোরিডার ক্লাবটি।
মায়ামির গোলাপি জার্সিতে এটি ছিল আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসির মাইলফলক স্পর্শ করা শততম গোল। প্রথমার্ধে নিজে গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকে কর্নার কিকে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দিয়ে দ্বিতীয় গোলটি করান তিনি।
গত জুলাইয়ে স্পেনের কাছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের দুঃসহ স্মৃতি পেছনে ফেলে চলতি বছর এটিই মেসির প্রথম ট্রফি জয়। নতুন প্রধান কোচ ক্রিস্টিয়ান ‘কিলি’ গঞ্জালেসের অধীনে প্রথম ম্যাচেই শিরোপার স্বাদ পেল ইন্টার মায়ামি; ভিসা জটিলতা কাটিয়ে চলতি সপ্তাহেই ক্লাবের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলেন এই আর্জেন্টাইন কৌশলবিদ।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য গোলের ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল ক্রুজ আজুল, তবে হোসে পারাদেলার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন মায়ামির গোলরক্ষক ডেন সেন্ট ক্লেয়ার। এরপর ম্যাচের ২৪ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন মেসি। বাউন্ডারি লাইন থেকে লুইস সুয়ারেসের বাড়ানো নিখুঁত ক্রসে লাফিয়ে উঠে মেক্সিকান ডিফেন্ডার উইলার দিতাকে পরাস্ত করে ডাইভিং হেডারে বল জালে জড়ান ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
৩২ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল মায়ামি। মেসির চোখধাঁধানো ক্রস থেকে সুয়ারেসের বাড়ানো বল জার্মান বের্তেরামে জালে পাঠাতে চাইলে গোললাইন থেকে তা ফিরিয়ে দেন ক্রুজ আজুলের ডিফেন্ডাররা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সুয়ারেসের থ্রু পাস ধরে বল জালে জড়িয়ে মায়ামির হয়ে নিজের ১০১তম গোলের উল্লাস করেছিলেন মেসি, কিন্তু অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
৬৭ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে মেক্সিকোর ক্লাবটি; গ্যাব্রিয়েল ফার্নান্দেজের হেডার পোস্টে লেগে ফিরে আসার পর ফিরতি শট আটকে দেন কাসেমিরো। এর কিছুক্ষণ পর, ম্যাচের ৮১তম মিনিটে মেসির নেওয়া বাঁকানো কর্নার কিক থেকে হেড করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কাসেমিরো। যোগ করা সময়ে পারাদেলার বিপজ্জনক ফ্রি-কিক ফিরিয়ে দিয়ে মায়ামির ক্লিন শিট অক্ষুণ্ণ রাখেন গোলরক্ষক সেন্ট ক্লেয়ার।
এমএলএস কাপ বিজয়ী ও মেক্সিকোর ক্যাম্পিয়ন দে ক্যাম্পিওনেস বিজয়ীদের মধ্যকার এই টুর্নামেন্টের এটি ছিল অষ্টম আসর। সবশেষ তিনটি আসরেই মেক্সিকান দলগুলো শিরোপা জিতলেও এবার সেই আধিপত্য ভেঙে দিল ইন্টার মায়ামি। অন্যদিকে ২০২১ সালের ফাইনাল হারের পর এবারও রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো ক্রুজ আজুলকে।