বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সঞ্জু স্যামসন
উইকেটরক্ষক-ব্যাটার সঞ্জু স্যামসনের ২২ বলে ৫৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। এই দাপুটে জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিন ম্যাচের সিরিজটি নিজেদের করে নিল স্বাগতিকরা।
মঙ্গলবার নয়াদিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩১ বল (৫.১ ওভার) হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। এই জয়ে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা। ওপেনিং জুটিতে অভিষেক শর্মাকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৫.৪ ওভারে ৮৮ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে দেন স্যামসন। অভিষেক ১৯ বলে ৩৯ রান করে আউট হলেও স্যামসন চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটান। বিশেষ করে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবিকে তুলোধোনা করে একাই তুলে নেন ২৭ রান।
প্রথম ম্যাচে ৮২ রানের ইনিংস খেলা বাঁহাতি অভিষেককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। তবে ততক্ষণে ভারতীয় ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কবজায় চলে আসে। মাত্র ২০ বলে ফিফটি স্পর্শ করা স্যামসনকে অবশ্য এরপর বেশি দূর যেতে দেননি নবি। ৭টি চার ও ৪টি বিশাল ছক্কায় সাজানো ইনিংসে আউট হন তিনি। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১১ রান করে বিদায় নেওয়ার পর দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ইশান কিষান (৩৮*) এবং তিলক বর্মা (১৫*)। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটিতে অনায়াস জয় নিশ্চিত হয়।
এর আগে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। নিজের অধিনায়কত্ব ক্যারিয়ারের প্রথম ১২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই টস জিতে নতুন এক বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। এর আগে কাতারের মির্জা বেগ ও ফিলিপাইনের হেনরি টাইলারের সর্বোচ্চ ১০টি ম্যাচে টস জয়ের রেকর্ড ছিল। বোলিং বেছে নেওয়ার পর ভারতীয় পেসারদের তোপে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানে আটকে যায় আফগানিস্তান। ভারতের পক্ষে নিতিশ কুমার রেড্ডি ২৪ রান দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন।
প্রথম ওভারে জাসপ্রিত বুমরাহ কোনো রান না দিয়ে মেইডেন নেওয়ার পর পরের ওভারে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে শূন্য রানে ফেরান আর্শদীপ সিং। এরপর অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে সেদিকুল্লাহ অটলকে (১২) নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন। ৩৭ রান করা জাদরানকে নিজের প্রথম বলেই সীমানায় ক্যাচ বানিয়ে ফেরান রেড্ডি। ইনজুরিতে থাকা বরুণ চক্রবর্তীর বদলে সুযোগ পাওয়া লেগ-স্পিনার রবি বিষ্ণোই অটলকে ফিরিয়ে ধাক্কা বাড়ান। এতে ১০.১ ওভারে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে আফগানিস্তান। শেষ দিকে মোহাম্মদ নবির ২০ ও রশিদ খানের ২৮ রানের ইনিংসে কিছুটা রান বাড়লেও রেড্ডির বোলিং তোপে লড়াকু পুঁজি গড়তে ব্যর্থ হয় তারা।
আগামী বৃহস্পতিবার একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।