বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা
প্যারিসে নিজ বাড়িতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ও সহিংস ডাকাতির ঘটনায় প্যারিসের একটি ফৌজদারি আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন ইতালির তারকা গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা ও তাঁর স্ত্রী আলেসিয়া এলেফান্তে। ২০২৩ সালের এভিনিউ মন্তেনিয়েতে নিজেদের ফ্ল্যাটে চার ডাকাতের নির্মম হামলা, অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও শারীরিক নির্যাতনের বিবরণ দুই দিনের শুনানিতে তুলে ধরেন তাঁরা।
ঘটনার সময় দোন্নারুম্মা ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) হয়ে খেলছিলেন। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ভবনের ছাদ থেকে মই বেয়ে ব্যালকনিতে নেমে জানালার কাচ ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে চার ডাকাত। ঘুমন্ত অবস্থায় অতর্কিত হামলায় দোন্নারুম্মার মুখে নাকল ডাস্টার দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয় এবং ছুরি ঠেকিয়ে বেঁধে ফেলা হয়।
তৎকালীন অন্তঃসত্ত্বা এলেফান্তের ওপরও পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। সেফের কোড জানতে এলেফান্তের চুল ধরে টানা-হেঁচড়া করা হয় এবং একপর্যায়ে তাঁর উরুতে লাথি মারা হয়। তিনি সন্তানসম্ভবা জানানোর পরও ক্ষান্ত হয়নি দুর্বৃত্তরা। পরে দোন্নারুম্মা কোড জানালে সেফটি খোলা হলেও ভেতরে কোনো মূল্যবান সম্পদ মেলেনি। তবে ফ্ল্যাট থেকে একাধিক দামি ঘড়ি, গয়না, ডিজাইনার ব্যাগ, নগদ অর্থ এবং একটি মার্সিডিজ ও একটি ল্যাম্বরগিনির চাবি লুট করে নেয় তারা।
তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কারাগারে বসেই এই সুপরিকল্পিত ডাকাতির ছক কষেছিল ইলিয়াস খেরবুশ ও খিয়ান মামুনি, যদিও তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এই ঘটনায় এর আগে অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই আসামিকে যথাক্রমে তিন ও চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে শিশু আদালত। এছাড়া অপরাধ স্বীকার করা আরেক অভিযুক্ত ২০২৪ সালে কারাগারে আত্মহত্যা করেন। দোন্নারুম্মা ও তাঁর স্ত্রীর ওপর সরাসরি শারীরিক আঘাত না করার শর্তে সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছেন মোক্তার দিওপ নামের আরেক অভিযুক্ত। প্রাপ্তবয়স্ক প্রধান আসামিদের বিচারকাজ এখনো চলমান রয়েছে।