বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
পেশাদার ফুটবলের সম্ভাব্য শেষ অধ্যায়ে এসে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগের অধরা শিরোপাটি ছুঁয়ে দেখার চূড়ান্ত মিশনে নামছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আগামী সোমবার থেকে এশিয়ার শীর্ষ ক্লাব টুর্নামেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে বিশাল অর্থলগ্নি করা সৌদি প্রো লিগের দলগুলোকেই ফেভারিট ভাবা হচ্ছে।
ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে পাঁচটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা গত আগস্টে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে এটিই সম্ভবত তাঁর শেষ বছর। ফলে এশিয়ান মঞ্চে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার এটিই তাঁর শেষ সুযোগ।
রোনালদোর দল আল নাসর এবার নতুন ম্যানেজার আঞ্জে পস্তেকোগলুর অধীনে মাঠে নামছে। রিয়াদের ক্লাবটিতে রোনালদোর সাথে আক্রমণে যুক্ত রয়েছেন সাদিও মানে, কিংসলে কোমান এবং পর্তুগিজ সতীর্থ জোয়াও ফেলিক্স। নতুন মৌসুমে দারুণ ছন্দে থাকা আল নাসর বর্তমানে সৌদি প্রো লিগে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, যেখানে দলটির অধিনায়ক রোনালদো পাঁচ ম্যাচে তিনটি গোল করেছেন।
তবে রোনালদোর ট্রফি জয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে সিমোনে ইনজাঘির আল হিলাল। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে প্রায় ১৫ কোটি ডলার ব্যয়ে প্রিমিয়ার লিগ থেকে ওলি ওয়াটকিন্স এবং আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে দলে ভিড়িয়েছে তারা।
টুর্নামেন্টের পরিবর্তিত ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ এলিট’ ফরম্যাটটি মূলত সৌদি ক্লাবগুলোর পক্ষেই কথা বলছে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ফাইনাল পর্যন্ত নকআউট পর্বের ম্যাচগুলো সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের ব্যাক-টু-ব্যাক চ্যাম্পিয়ন আল আহলিসহ এবার ৩২ দলের আসরে অংশ নিচ্ছে সৌদির রেকর্ড পাঁচটি ক্লাব—আল নাসর, আল আহলি, আল হিলাল, আল ইত্তিহাদ এবং আল কাদসিয়াহ।
সৌদি দলগুলোর আধিপত্য ভাঙার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ আসবে জাপান থেকে, যাদের ক্লাবগুলো গত চার আসরের প্রতিটির ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল। জে লিগের চ্যাম্পিয়ন কাশিমা অ্যান্টলার্সসহ এবার জাপানের পাঁচটি দল লড়ছে। তবে পশ্চিমা ক্লাবগুলোর অগাধ আর্থিক শক্তি এবং সৌদির মাটিতে সেন্ট্রালাইজড ফরম্যাটের কারণে জাপানি দলগুলোর লড়াইটা অত্যন্ত কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।