বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল
জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার পদ থেকে সাবেক ফুটবলার আমের খানকে আকস্মিকভাবে সরিয়ে বাফুফে সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবুকে দায়িত্ব দেওয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) শীর্ষ নেতৃত্বে তীব্র অসন্তোষ ও দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। সভাপতি তাবিথ আউয়ালের এই একক ও অনাকাঙ্ক্ষিত সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফেডারেশনের দুই সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী এবং সাব্বির আহমেদ আরেফ।
ফেডারেশন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় দলের ম্যানেজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনার বিষয়টি নির্বাহী কমিটির আসন্ন সভায় বিস্তারিত আলোচনার কথা ছিল। যদিও ন্যাশনাল টিমস কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়, তবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই সভা শেষ হয়। এর পরপরই কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে সভাপতি তাবিথ আউয়াল একক সিদ্ধান্তে আমের খানকে অব্যাহতি দিয়ে আমিরুল ইসলাম বাবুকে নতুন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেন। এমন আচমকা রদবদলে ক্ষুব্ধ হয়ে দুই সহসভাপতি হ্যাপী ও আরেফ তাৎক্ষণিকভাবে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষারকে ডেকে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান এবং সভাপতির কাছে তাঁদের কঠোর বার্তা পৌঁছে দিতে বলেন। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল এবং এশিয়ান গেমসে নারী ফুটবল দলের ম্যানেজারদের নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা থাকলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ কোনো যৌক্তিক কারণ বা যৌথ সিদ্ধান্ত ছাড়াই জাতীয় দলের ম্যানেজার পদে আকস্মিক হস্তক্ষেপ করা হলো।
একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে সভাপতির উদ্দেশে দুই সহসভাপতি বলেন:
"ম্যানেজার ইস্যুটা নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা হতে পারত। কে ম্যানেজার হবেন, আর কে হবেন না—সেটি নিয়ে সবার মধ্যে যৌথ আলোচনা হতে পারত। কিন্তু তা না করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত আশ্চর্যজনক। আমরা এখানে কী দায়িত্ব পালন করছি?"
এদিকে নতুন ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুর দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পে চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র ফুটে উঠেছে, যা কোচিং স্টাফদের ক্ষুব্ধ করে তোলে। গতকাল সকালে বসুন্ধরা কিংসের মাঠে কঠোর শারীরিক অনুশীলনের পর নিয়ম অনুযায়ী খেলোয়াড়রা রিকভারির জন্য আইসবাথ করতে গিয়ে দেখেন বাথটাবে কোনো বরফ নেই। বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলা অভিজ্ঞ প্রধান কোচ থমাস ডুলি এমন অপেশাদার পরিস্থিতি দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সময়মতো বরফ না আনার কারণ জানতে চান। পরবর্তীতে গুলশানের নতুনবাজার থেকে যখন বরফ এসে পৌঁছায়, ততক্ষণে ক্লান্ত খেলোয়াড়রা টিম বাসে উঠে পড়েছিলেন; যদিও পরবর্তীতে বিকালের অনুশীলন শেষে খেলোয়াড়রা আইসবাথ সম্পন্ন করেন। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আসন্ন আসিয়ান কাপ ফুটবলকে সামনে রেখে প্রাথমিক দলের নিবিড় প্রস্তুতির মুহূর্তে শীর্ষ নেতৃত্বের এমন অভ্যন্তরীণ মতভেদ ও মাঠের অব্যবস্থাপনা দলের সামগ্রিক প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।