বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইংল্যান্ডের পেসার ওলি রবিনসন
লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের পেসার ওলি রবিনসনের ধ্বংসাত্মক ও চরম মিতব্যয়ী বোলিংয়ের মুখে পড়ে মাত্র ৩৭.২ ওভারে ১১০ রানেই প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে বাবর আজমের পাকিস্তান।
পাকিস্তানের এই ব্যাটিং বিপর্যয়ের রূপকার ছিলেন ৩২ বছর বয়সী ইংলিশ পেসার রবিনসন। তিনি ১৩ ওভার বল করে ৬টি মেডেনসহ মাত্র ১১ রান খরচায় ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তাঁর এই স্পেলে প্রতি ওভারে রান খরচের গড় বা ইকোনমি রেট ছিল অবিশ্বাস্য—মাত্র ০.৮৪।
টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে ন্যূনতম ১০ ওভার বোলিং করে ওভারে একের কম রান দেওয়ার দুর্লভ কীর্তিতে একবিংশ শতাব্দীর মাত্র দশম পেসার হিসেবে নাম লেখালেন রবিনসন। এই অভিজাত তালিকায় তাঁর আগে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রা, শ্রীলঙ্কার চামিন্দা ভাস, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোরি কলিমোর ও জেডন সিলস এবং পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমিরসহ আরও কয়েকজন কিংবদন্তি।
একবিংশ শতাব্দীতে ন্যূনতম ১০ ওভার করা পেসারদের মধ্যে সেরা ইকোনমির তালিকায় রবিনসনের এই স্পেলটি চতুর্থ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জেডন সিলস, যিনি ২০২৪ সালে কিংস্টনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৫.৫ ওভারে ১০টি মেডেনসহ ৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন (ইকোনমি ০.৩১)। দ্বিতীয় স্থানে আছেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ওরাম, যিনি ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০ ওভারে ১৪ মেডেনসহ ১৪ রান দেন (ইকোনমি ০.৭১)। এছাড়া ২০০০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কিউই পেসার নাথান অ্যাস্টলের ইকোনমি ছিল ০.৮১। রবিনসনের ০.৮৪ ইকোনমি ২০০০ সালে ব্রিসবেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গ্লেন ম্যাকগ্রার ২০ ওভারে ১৭ রানে ৬ উইকেটের (ইকোনমি ০.৮৫) স্মরণীয় বোলিংকেও পেছনে ফেলেছে। লর্ডসে এমন মিতব্যয়ী ও নিখুঁত বোলিংয়ের মাধ্যমেই পাকিস্তানকে শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন এই ইংলিশ পেসার।