বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক -ফাইল ফটো
আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের ‘কোচ’ পরিচয়ে বিদেশ সফরের দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশন ও সংস্থার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
আন্তর্জাতিক সফরের দলে নির্বাহী কর্মকর্তাদের কোচ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যিনি বছরজুড়ে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় কোচের দায়িত্বও তাঁরই পালন করা উচিত। কারিগরি অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও কর্মকর্তাদের কোচের ভূমিকায় বিদেশ সফরকে তিনি অশোভন ও অনিয়মের সংস্কৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
সভায় ক্রীড়াঙ্গনের প্রশাসনিক কিছু অসঙ্গতির বিষয়ও তুলে ধরেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, শুটিং ফেডারেশনের এক কর্মকর্তাকে ক্যাম্প ডিরেক্টর হিসেবে পাঠানোর কথা থাকলেও কীভাবে তাঁকে পিস্তল কোচ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলো, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।
তিনি বলেন, কোনো প্রশিক্ষণ বা কারিগরি অভিজ্ঞতা ছাড়াই সাধারণ সম্পাদক বা অন্য কর্মকর্তাদের হঠাৎ কোচ বানিয়ে আন্তর্জাতিক সফরে পাঠানোর প্রবণতা আর চলতে দেওয়া হবে না। খেলোয়াড়দের স্বার্থে এ ধরনের প্রথা বন্ধ করতে হবে।
আসন্ন এশিয়ান গেমসসহ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ধরন নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। শুধু অংশ নেওয়ার জন্য দল পাঠানো নয়, বরং পদক অর্জনের লক্ষ্য সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এ ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির জন্য স্থায়ী কোচ নিয়োগের নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রস্তুতি, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সংখ্যা এবং প্রত্যেক সফরসঙ্গীর বিদেশ যাওয়ার যৌক্তিক কারণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে জাতীয় স্টেডিয়াম ও কমলাপুর স্টেডিয়ামের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সম্প্রতি স্টেডিয়াম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশাসনিক বিভিন্ন উদ্যোগ, মোবাইল কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরও পরিবেশে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি।
ক্রীড়া পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট মহলের কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। ক্রীড়াঙ্গনের পরিবেশ উন্নত করতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।