বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ ২৩ বছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিকূল ও চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে টেস্ট খেলার সুযোগকে অত্যন্ত সম্মানিত ও গর্বের বলে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ দলের শীর্ষ পেসার তাসকিন আহমেদ। আগামীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দুই ম্যাচের এই ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চ প্রকাশ করেছেন তিনি।
২০০৩ সালে বাংলাদেশ সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল। দীর্ঘ আড়াই দশক পর বর্তমান দলের কোনো খেলোয়াড়েরই সেখানে লাল বলের ক্রিকেট খেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। ডারউইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের নিজেদের মাঠে টেস্ট সিরিজ খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমাদের পুরো দলের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ও গর্বের এক মুহূর্ত।’
এর আগে ২০১২ সালের যুব বিশ্বকাপ, ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে খেলেছেন তাসকিন। সীমিত ওভারের ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা থাকলেও টেস্ট ম্যাচ যে বেশ কঠিন হবে, তা স্বীকার করে তাসকিন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট ক্রিকেট আমাদের জন্য মোটেও সহজ হবে না। তবে দলের সবাই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
টেস্ট সিরিজের আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে বাংলাদেশ দল দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে গিয়ে ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরে যায়। তবে এই পরাজয় মূল সিরিজের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করেন তাসকিন। তিনি জানান, হার অবশ্যই কষ্টের, কিন্তু মূল কন্ডিশন ও উইকেটের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ম্যাচটি দলগতভাবে চমৎকার অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ, যার মধ্যে ৫টিতে পরাজয় এবং ১টিতে জয় এসেছে। ২০১৭ সালে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় পেয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।