বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ২০০ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
বৃহস্পতিবার ( ৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান প্যারা গেমস ট্রেনিং ক্যাম্প-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি প্যারা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
আমিনুল হক বলেন, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা নয়, বরং দেশের জন্য সম্ভাবনাময় সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের নিয়ে একটি জাতীয় পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজনের নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন এবং সুযোগ হলে নিজেই সেই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন। যে সন্তানকে অনেক পরিবার লজ্জার কারণে আড়ালে রাখে, সেই সন্তানই একদিন অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস বা প্যারা গেমসে বাংলাদেশের জন্য পদক এনে দিতে পারে। তাই তাদের নিয়ে লজ্জা নয়, গর্ব করার সময় এসেছে।’
আমিনুল হক জানান, বর্তমানে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ২০০ জনকে এই কর্মসূচির আওতায় এনে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এশিয়ান প্যারা গেমসসহ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক বা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনকারী নতুন ক্রীড়াবিদদেরও পর্যায়ক্রমে ক্রীড়া ভাতার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের শুধু প্রতিযোগিতার আগে নয়, সারা বছর নিয়মিত প্রশিক্ষণের আওতায় রাখা হবে এবং তাদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, সুযোগ-সুবিধা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি আধুনিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান আমিনুল হক।
এছাড়া রাজধানীকেন্দ্রিক কার্যক্রমের বাইরে দেশের ৬৪ জেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের খুঁজে বের করে তাদের নিয়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। এ লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি প্যারা স্পোর্টস’ নামে জাতীয় পর্যায়ের একটি প্রতিভা অন্বেষণমূলক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।