বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

২০০৩ সালে একবারই অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। তার ঠিক ২৩ বছর পর আবারও অজিদের বিপক্ষে সাদা পোশাকের ম্যাচ খেলবে তারা। আগামী মাসের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত হবে দুই ম্যাচের সিরিজ। সে লক্ষ্যে আগামীকাল রওনা দেবেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।
সিরিজ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার ( ৩০ জুলাই ) মিরপুরে নিজেদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলেছেন লাল বল ফরম্যাটের ক্যাপ্টেন নাজমুল।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে কীভাবে ওখানে ভালো ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করতে পারি। ওখানে যদি আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে পারি, অবশ্যই তারা আবার ভবিষ্যতে (খেলার জন্য) আমন্ত্রণ জানাবে।’খেলার সামগ্রী
এরপরই অবশ্য নাজমুল আবার বলেছেন, ‘প্রতিটা ম্যাচই জেতার জন্য খেলি। তবে আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি এবং ওদের কতটুকু কঠিন সময় দিতে পারি, এই জিনিসটা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা এমন দুইটি ম্যাচ খেলতে পারি, ভবিষ্যতে দেখা যাবে আরও বেশি বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছি।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটের একাধিক প্রজন্মের ক্যারিয়ারই ফুরিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট না খেলে। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের সোনালি প্রজন্মেরই সেই সুযোগ মেলেনি। এই তারকাদের ক্যারিয়ারে যে অপূর্ণতা থেকে গেছে, শান্ত সেখানে পূর্ণতার আলোয় উদ্ভাসিত। অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট তো খেলবেনই, নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশকে।
নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করা বাংলাদেশ অধিনায়কের সব নজর প্রতিপক্ষের সম্মান অর্জনের দিকে, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট খেলতে পারছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে ওখানে ভালো ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করা। যদি আমরা ওদের টাফ টাইম দিতে পারি, তবে ভবিষ্যতে আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাব।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলে আয় হবে না বলে মূল ভেন্যুগুলোতে সিরিজ রাখেনি অস্ট্রেলিয়া। ২৩ বছর পর ডারউইনে আরেকটি টেস্ট হবে, আগেরটিও খেলেছিল বাংলাদেশ। নতুন ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হবে ম্যাকাইয়ের।
অস্ট্রেলিয়ার মতো ক্রিকেট জাতি তখনই কাউকে নিজেদের ডেরায় আমন্ত্রণ জানাতে রাজি হয়, যখন দেখে লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে। পারফরম্যান্স দিয়েই অস্ট্রেলিয়াকে বোঝাতে হয়। খেলার ফল যেমনই হোক, আর যেন পরের সফরের জন্য দুই যুগ অপেক্ষা করতে না হয়, এটাই নিশ্চিত করতে চাইবে বাংলাদেশ দল।