বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিশ্বকাপ জয়ের পর নিজ শহরে ওজনের সমান টমেটো উপহার পেয়েছেন গাভি ও ফাবিয়ান রুইজ।
বিশ্বকাপ জয়ের পর সাধারণত ফুটবলারদের ফুল, স্মারক বা বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। তবে স্পেনের দুই মিডফিল্ডার গাভি ও ফাবিয়ান রুইজকে নিজ শহরে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে একেবারেই ভিন্নভাবে। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নিজেদের ওজনের সমান টমেটো।
বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলকে রাজধানী মাদ্রিদে সংবর্ধনা দেওয়ার পর গাভি ও রুইজ নিজ শহর আন্দালুসিয়ার লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কায় ফেরেন। সেখানে সিটি কাউন্সিলের আয়োজনে প্রথমে তাদের ওজন মাপা হয়। এরপর প্রত্যেককে তার শরীরের ওজনের সমপরিমাণ টমেটো উপহার দেওয়া হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দুই ফুটবলার মিলিয়ে প্রায় ১৪০ কেজি টমেটো পেয়েছেন।
তবে টমেটোই ছিল না তাদের একমাত্র সম্মাননা। শহরের দুটি ফুটবল স্টেডিয়ামের নামও তাদের নামে পরিবর্তন করা হয়েছে। মারিসমাস স্টেডিয়ামের নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘ফাবিয়ান রুইজ’ এবং সান সেবাস্তিয়ান স্টেডিয়ামের নাম হয়েছে ‘পাবলো পায়েস গাভিরা (গাভি)’। এই দুটি মাঠেই তাদের ফুটবল ক্যারিয়ারের সূচনা হয়েছিল।
এটি অবশ্য শহরটির পুরোনো একটি ঐতিহ্য। ২০১০ সালে স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হেসুস নাভাসকেও শরীরের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছিল। এবার সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাভি ও রুইজের নামে স্টেডিয়ামের পাশাপাশি নাভাসের সম্মানে একটি স্মৃতিস্তম্ভও নির্মাণ করা হবে।
লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা স্পেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টমেটো উৎপাদনকারী অঞ্চল। এখানকার ‘বোম্বোন কোলোরাও’ জাতের টমেটো শহরের পরিচয় ও ঐতিহ্যের প্রতীক। তাই স্থানীয় কৃতী ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে টমেটোকেই প্রতীকী উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।
এটি বিখ্যাত লা টোমাটিনা উৎসবের মতো টমেটো নিক্ষেপের আয়োজন নয়; বরং কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য ও স্থানীয় পরিচয়কে উদ্যাপনের একটি বিশেষ রীতি।