বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল শুধু স্পেনের শিরোপা জয়ের জন্য নয়, প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ হাফটাইম শোর কারণেও আলোচনায় রয়েছে। সুপার বোলের আদলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন ম্যাডোনা, শাকিরা, জাস্টিন বিবার, দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএসসহ বিশ্বের একাধিক তারকা।
এত বড় আয়োজন এবং বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের উপস্থিতির কারণে অনেকের ধারণা ছিল তারা মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নিয়েছেন। তবে বাস্তবে কোনো শিল্পীকেই পারফরম্যান্সের জন্য অর্থ দেওয়া হয়নি।
দ্য অ্যাথলেটিক–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাফটাইম শোতে অংশ নেওয়া সব শিল্পী স্বেচ্ছায় পারফর্ম করেছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম ফাইনালে সুপার বোলের আদলে হাফটাইম শোর আয়োজন করে ফিফা। ৪৮ দলের সম্প্রসারিত এই বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আয়োজকদের লক্ষ্য ছিল ফুটবলের সঙ্গে আমেরিকান ক্রীড়া সংস্কৃতির একটি জনপ্রিয় উপাদান যুক্ত করা।
ফাইনালে নির্ধারিত ১৫ মিনিটের বিরতির পরিবর্তে হাফটাইম শোর কারণে বিরতি প্রায় ২৭ মিনিটে গড়ায়। এতে অনেক ফুটবল সমর্থক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও বিবিসি স্পোর্টের বিশ্লেষক ওয়েন রুনি বলেন, তিনি শিল্পীদের পছন্দ করলেও হাফটাইম শোর ধারণাটি তার ভালো লাগেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।
হাফটাইম শোটি ছিল ফিফা ও গ্লোবাল সিটিজেন-এর যৌথ সামাজিক উদ্যোগের অংশ। এর মাধ্যমে গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ড–এর জন্য সচেতনতা তৈরি এবং বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও ফুটবল খেলার সুযোগ বাড়ানোর বার্তা তুলে ধরা হয়।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এর আগে বলেছিলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরের এই আয়োজন শুধু বিনোদনের জন্য নয়, শিক্ষা, ঐক্য ও মানবিকতার বার্তাও ছড়িয়ে দেবে।
সুপার বোলের মতোই এই হাফটাইম শোতেও শিল্পীরা সরাসরি পারিশ্রমিক পাননি। পরিবর্তে বিশ্বের কোটি কোটি দর্শকের সামনে নিজেদের পরিবেশনার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রচারণার সুযোগ পেয়েছেন।