বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ৬-৪ গোলে হেরে গেলেও ফ্রান্সের হয়ে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এ নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টিতে। পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ৪টি গোল করিয়েছেন তিনি।
গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। চলতি বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি গোল করতে পারেননি আর কোনো খেলোয়াড়। তবে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে নামার আগে মেসির গোলসংখ্যা ৮ এবং অ্যাসিস্ট ৪টি।
অর্থাৎ মেসির সামনেও গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ রয়েছে। সে জন্য স্পেনের বিপক্ষে ৩টি গোল করলেই ১১ গোল নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতবেন তিনি। তিন গোল না করতে পারলে বুটের জন্য বিকল্প কয়েকটি অপশনও আছে তার সামনে।
ফিফার নিয়মে, গোল্ডেন বুটজয়ী নির্ধারণে প্রথমে দেখা হয় গোলসংখ্যা। গোল সমান হলে বিবেচনায় আসে অ্যাসিস্ট, আর সেখানেও সমতা থাকলে কম মিনিট খেলা ফুটবলার পুরস্কার জেতেন। অর্থাৎ মেসি যদি আর ২টি গোল করেন, তবে গোলসংখ্যায় এমবাপ্পের পাশে বসবেন। এইক্ষেত্রে বুটের জন্য অন্তত একটি অ্যাসিস্টও করতে হবে তাকে।
গোল্ডেন বুট জয়ের সমীকরণে মেসির সামনে রয়েছে সময়ের হিসাবও। এমবাপ্পে ৭৬৪ মিনিট খেলেছেন, আর মেসির খেলার সময় ৭১২ মিনিট। তাই স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসি যদি ২ গোল করেন কিন্তু কোনো অ্যাসিস্ট না পান, তবে এমবাপ্পেকে টপকাতে তাকে ৫১ মিনিটের মধ্যেই মাঠ ছাড়তে হবে।