বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি ; সংগৃহীত
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনা ও মিসরের হাইভোল্টেজ লড়াই শেষে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে রেফারির সিদ্ধান্ত এবং ভিএআরের ব্যবহার। গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঘটনায় ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মিসর শিবির।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মিসরের হয়ে মোস্তাফা জিকো দারুণ এক গোল করলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি বাতিল করা হয়। রেফারির মতে, আক্রমণ শুরুর আগে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের ওপর ফাউল হয়েছিল। ফলে গোলের বদলে মিসরের বিপক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে মোহামেদ সালাহ আর্জেন্টিনার বক্সে ট্যাকলের শিকার হয়েছেন বলে দাবি তোলে মিসর। অভিযোগ, জুলিয়ান আলভারেজ বল স্পর্শ না করে সালাহর পায়ে আঘাত করেন। তবে রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং সেই আক্রমণ থেকেই দ্রুত পাল্টা আক্রমণে জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনা।
এই সিদ্ধান্তের পর ভিএআর পর্যালোচনার দাবিও নাকচ হয়ে যায়। এতে মিসরের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। ম্যাচের শেষদিকে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ হলুদ কার্ডও দেখেন।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও রেফারিং নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক সমর্থকের প্রশ্ন, একই ধরনের দুটি ঘটনায় কেন ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। যদিও ম্যাচ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।