বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বড় ধরনের চমকের শঙ্কায় পড়েছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় থমাস টুখেলের শিষ্যরা। তবে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে সেই সংকট কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে কঙ্গোকে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে কঙ্গো। ম্যাচের ৬ মিনিটে অ্যারন ওয়ান-বিসাকার ক্রস থেকে সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা।
তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় কঙ্গো এবং বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দেশের ইতিহাসে প্রথম গোলের কৃতিত্বও অর্জন করেন তিনি।
প্রথমার্ধে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে দেখা যায়নি ইংল্যান্ডকে। মাঝমাঠে সমন্বয়ের অভাব, রক্ষণে ভুল এবং আক্রমণে অস্থিরতা তাদের ভোগায়।
অন্যদিকে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে বারবার ইংলিশ ডিফেন্সকে ব্যস্ত রাখে কঙ্গোর ফুটবলাররা।
সমতায় ফেরার জন্য একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ইংল্যান্ডকে হতাশ করেন কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। জুড বেলিংহাম, মার্কাস রাশফোর্ড ও হ্যারি কেইনের কয়েকটি সম্ভাবনাময় প্রচেষ্টা তিনি দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করেন। ফলে বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করে টুখেলের দল। বেলিংহাম ও ডেক্লান রাইসের নেতৃত্বে আক্রমণের চাপ বাড়তে থাকে। পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে বুকায়ো সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডন মাঠে নামার পর আক্রমণে নতুন গতি আসে।
এর ফল মেলে ৭৪তম মিনিটে। গর্ডনের দারুণ ক্রস থেকে বল পেয়ে কাছ থেকে জালে পাঠান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। গোলরক্ষক বল স্পর্শ করলেও গোল ঠেকাতে পারেননি।
সমতা ফেরার পর ম্যাচ আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। কঙ্গোও পাল্টা আক্রমণে সুযোগ খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে এলিয়ার আক্রমণ থেকে সম্ভাব্য বিপদ দুর্দান্তভাবে সামাল দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় ৮৬তম মিনিটে। কঙ্গোর রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কেইন। তার এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড এবং শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ের মাধ্যমে শুধু শেষ ষোলোর টিকিটই নিশ্চিত করেনি ইংল্যান্ড, বরং বিশ্বকাপে পিছিয়ে পড়ার পর নকআউট ম্যাচ জয়ের দীর্ঘ অপেক্ষারও অবসান ঘটিয়েছে।
১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল হজম করে পিছিয়ে থেকেও ম্যাচ জিতল ইংলিশরা।