বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষ। এবার শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর অধ্যায় নকআউট পর্ব। রোববার থেকে মাঠে গড়াচ্ছে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর ম্যাচগুলো, যেখানে প্রতিটি লড়াইই হবে বাঁচা-মরার। একবার হারলেই শেষ হয়ে যাবে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন।
নকআউট পর্বের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
এবারের বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশ নিলেও গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ ৩২ দলে জায়গা করে নিয়েছে ১২টি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপরা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে সেরা আটটি তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল।
এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই হবে নকআউট ভিত্তিক। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফলাফল না এলে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। এরপরও সমতা থাকলে টাইব্রেকারে নির্ধারিত হবে জয়-পরাজয়।

রাউন্ড অব ৩২ থেকে জয়ী ১৬টি দল জায়গা করে নেবে শেষ ষোলোতে। এরপর ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল। পাশাপাশি সেমিফাইনালে পরাজিত দুই দল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশ নেবে।
বিশ্বকাপের শিরোপা দৌড়ে টিকে থাকতে এখন প্রতিটি দলকেই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। কারণ নকআউট পর্বে ভুলের কোনো সুযোগ নেই; একটি পরাজয়ই শেষ করে দিতে পারে বিশ্বকাপ অভিযান।
ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক কানাডা। ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরেও ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হিসেবে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে কানাডা। বসনিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে আসর শুরু করেছিল কানাডা। পরের ম্যাচে কাতারকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেয় তারা। দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ গ্রুপ ম্যাচে নাটকীয়ভাবে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকাও প্রথমবারের মতোই নকআউটে উঠেছে। আফ্রিকার দেশটির বিশ্বকাপের শুরুটা কিন্তু মোটেই সুখকর ছিল না। মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলে হার দিয়ে শুরু করে তারা।
পরের ম্যাচে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ড্র করে। শেষ গ্রুপ ম্যাচে তারা দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দেয়। ‘বাফানা বাফানা’রা এখন পর্যন্ত একবার কানাডার মুখোমুখি হয়েছে। ২০০৭ সালের নভেম্বরে একটি প্রীতি ম্যাচে কানাডাকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্যাচের বিজয়ী দল শেষ ষোলোতে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার বিজয়ীর মুখোমুখি হবে। আর কোয়ার্টার ফাইনালে ফেভারিট ফ্রান্স বা জার্মানির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই ম্যাচ দিয়ে কানাডা আরও একটি নজির গড়তে যাচ্ছে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কানাডা হচ্ছে প্রথম যৌথ আয়োজক, যারা কিনা অন্য দেশের মাটিতে ম্যাচ খেলছে। এই ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে হবে। তবে এই ম্যাচে কানাডার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হচ্ছে চোট। কাতারের বিপক্ষে হাড় ভেঙে যাওয়ায় মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনেকে পাচ্ছে না তারা। মিডফিল্ডার স্টেফান ইউস্টাকিউ এবং ডিফেন্ডার আলফি জোন্সও চোটের কারণে খেলতে পারছেন না। এর মধ্যে একটা সুখবর অবশ্য পেয়েছে তারা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে এখনও বিশ্বকাপে না খেলা তারকা ডিফেন্ডার আলফানসো ডেভিস ফিট হয়ে উঠেছেন। বায়ার্ন মিউনিখের এই তারকা আজ বদলি হিসেবে নামতে পারেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার অবশ্য চোট সমস্যা নেই। তাদের বরং নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরছেন একজন। মিডফিল্ডার তোবোহো মোকোয়েনা এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরছেন দলে। তবে ওপেনিং ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে লাল কার্ড দেখা মিডফিল্ডার থেম্বা জেওয়ানে এখনও নিষিদ্ধই আছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় এনে দেওয়া একাদশে একটি পরিবর্তন হতে পারে। ইয়ায়া সিথোলের বদলে একাদশে ঢুকতে পারেন মোকোয়েনা।