বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইনজুরির কারণে মাঠে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়র। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেইমার নন, বরং তার নাম লেখা একটি অফিশিয়াল জার্সি। জার্সিতে নেইমার জুনিয়র লেখার পর থাকা একটি ডট বা ফুলস্টপ চিহ্ন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।
ব্রাজিলের জাতীয় দলের অফিশিয়াল কিট স্পন্সর নাইকির তৈরি করা নেইমারের একটি জার্সি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি প্রথম নজরে আনেন এক ব্রাজিলিয়ান ফুটবল সমর্থক, যিনি নাইকির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নেইমারের জার্সি অর্ডার করার সময় নামের বানানে একটি ব্যতিক্রমী বিষয় লক্ষ্য করেন।
ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক জোয়াও ভিটোর দো সান্তোসের তথ্য অনুযায়ী, কাস্টমাইজেশন অপশনে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সির পেছনে লেখা রয়েছে নেইমার জুনিয়র— যেখানে জুনিয়র এর পর একটি ফুলস্টপ ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর দ্রুতই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
মূল বিতর্কের কারণ হলো, নেইমার তার দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের কোনো জার্সিতেই নামের শেষে এই ডট ব্যবহার করেননি। এমনকি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এবং ফিফার বিভিন্ন প্রচারণামূলক সামগ্রীতেও সাধারণত নেইমার জুনিয়র নামটিই দেখা যায়, যেখানে কোনো ফুলস্টপ থাকে না।
এ কারণে অনেক সমর্থক মনে করছেন, জার্সির নকশায় নাইকি একটি অপ্রত্যাশিত ভুল করেছে। তাদের দাবি, বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরিচিত একজন খেলোয়াড়ের প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড পরিচয়ে এমন পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে বিতর্কের বিপরীত দিকও রয়েছে। একাংশের মতে, নাইকি কোনো ভুল করেনি। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী জুনিয়র-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে জেআর ( ‘Jr.’) লিখলে শেষে ফুলস্টপ ব্যবহার করাই শুদ্ধ। সে হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ভাষাগত নিয়মই অনুসরণ করেছে।
ফলে একটি ছোট্ট ডট চিহ্নই এখন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিছক বানানগত বিষয় নাকি ব্র্যান্ডিংয়ের ভুল— সে বিতর্কে এখনো একমত হতে পারেননি ভক্তরা।