বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিশ্বজুড়ে উগ্র জাতীয়তাবাদের উত্থান আর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি মানুষের কমতে থাকা আস্থা—সব মিলিয়ে এক অস্থির সময় পার করছে পৃথিবী। এর মধ্যেও ফুটবল বিশ্বকাপকে ভাবা হতো এমন এক বৈশ্বিক আয়োজন, যা সব সংকটের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে এক সুতোয় বাঁধে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন একটাই বড় প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে—ফুটবলে এটাই কি তবে শেষ বিশ্বকাপ?
আপাতদৃষ্টিতে প্রশ্নটি অবান্তর মনে হতে পারে, কিন্তু বৈশ্বিক রাজনীতির সমীকরণ আর ফিফার অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন যে রূপ নিয়েছে, তাতে বিশ্বকাপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
২০৩০ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো মার্কিন সমর্থকদের নিষিদ্ধ করতে পারে। এর জবাবে ফিফা স্পেনকে নিষিদ্ধ করলে উয়েফা স্পেনের পাশে দাঁড়াবে।
ফুটবল বিশ্বকাপ বরাবরই বিভিন্ন দেশের সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। ১৯৩৪ সালে ইতালির মুসোলিনি কিংবা ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার সামরিক জান্তার বিশ্বকাপ আয়োজন ছিল কুখ্যাত কিছু উদাহরণ। এমনকি ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বা ২০০৬ সালে জার্মানির সফল বিশ্বকাপ আয়োজনের পেছনেও ছিল জাতীয় এজেন্ডা—ফ্রান্স চেয়েছিল বহুসংস্কৃতিবাদের প্রচার আর জার্মানি চেয়েছিল তাদের নতুন দেশপ্রেমের ব্র্যান্ডিং করতে।
আরও পড়ুন

খোদ বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফাও নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থে ২০০২ সালে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াকে যৌথ আয়োজক হতে বাধ্য করেছিল এবং ২০১০ সালে আফ্রিকায় প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।