বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিল থেকে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থাকে দেওয়া অনুদানের ২০ কোটি টাকা কেড়ে নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থাকে পঙ্গু করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে ধানমন্ডিস্থ বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাদারণ সম্পাদক ফিরোজা করিম নেলি, সহ-সভাপতি ফিরোজা খাতুন, সদস্য এলিনা শাম্মী প্রমূখ।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নির্দেশে তৎকালীন মুখ্য সচিব মো. সিরাজ উদ্দিন মিঞা ওরফে সিরাজ উদ্দিন সাথী স্বাক্ষরিত আদেশে সোনালী ব্যাংক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্পোরেট শাখা থেকে এই টাকা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবিষয়টি বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রীসহ সংস্থার কাউকে কিছুই জানানো হয়নি।
সংস্থার সভানেত্রী হিসেবে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা অতি দ্রুত অনুদানের এই ২০ কোটি টাকা বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থাকে ফেরৎ দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কোন প্রক্রিয়ায় এবং কেন অনুদানের টাকা কেড়ে নিয়ে নারীর ক্রীড়া, উন্নয়ণ ও ক্ষমতায়নের পথকে এভাবে বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে তার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রতিকার চেয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী, ক্রীড়া-প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থাকে গত ২০২২ সালের ২১শে এপ্রিল এবং ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দুইটি চেকের মাধ্যমে মোট বিশ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে এফডিআর (ঋউজ) করে দেওয়া হয়। ওই ঋউজ এর লভ্যাংশের শতকরা ৮০ ভাগ টাকা বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য এবং বাকি ২০ ভাগ অর্থ সিড মানির সাথে যুক্ত হতে থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট সরকারের পতনের পরেও ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত লভ্যাংশ দেওয়া অব্যাহত ছিল।
ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, এরপর হঠাৎ লভ্যাংশের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে এর কারণ জানতে চেয়ে একাধিকবার ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তথ্য দিয়ে কোনো প্রকার সহযোগিতা করেনি।
তিনি জানান, গত ৬ মে ২০২৫ ইং তারিখে সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা ও হিসাবরক্ষক ব্যাংকে উপস্থিত হলে মৌখিকভাবে জানানো হয় যে, বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার বিশ কোটি টাকার অনুদান ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাতিল করে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ফেরত নিয়েছেন।