বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর মারা যান ডিয়েগো ম্যারাডোনা। ছবি: সংগৃহীত
আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি Diego Maradona-এর মৃত্যু নিয়ে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে এক চিকিৎসক দাবি করেছেন, একটি সাধারণ ডাইউরেটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করলেই মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটানো সম্ভব ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সান ইসিদ্রোর আদালতে সাক্ষ্য দেন ডা. মারিও শিটার। তিনি বলেন, “প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব ছিল।” শিটার ২০০০ সালের শুরুতে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন এবং ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর তার মৃত্যুর সময়কার ময়নাতদন্তেও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, আইসিইউতে হার্ট ফেইলিউরের অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই ডাইউরেটিক ব্যবহার করে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত তরল কমানো হয়, যার ফলে অনেকেই দ্রুত উন্নতি করে বাড়ি ফিরতে পারেন।
অন্যদিকে, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কার্লোস ক্যাসিনেলি আদালতে বলেন, মৃত্যুর সময় ম্যারাডোনার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে ছিল, যা এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে তৈরি হয়। তার মতে, চিকিৎসকেরা চাইলে এই অবনতি আগেই শনাক্ত করতে পারতেন।
উল্লেখ্য, ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে সাতজন স্বাস্থ্যকর্মী বর্তমানে বিচারের মুখোমুখি রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। মামলার বিচার প্রক্রিয়া আগামী জুলাই পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।