বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

এআরওয়াই পডকাস্টে অংশ নিয়ে ভারত পাকিস্তান ম্যাচের সেই বহুল আলোচিত হ্যান্ডশেক বিতর্ক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা।
গত বছর এশিয়া কাপ থেকে শুরু হওয়া এই তিক্ততা নিয়ে সালমান আগা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছুই জানতেন না। তিনি বলেন, আমি টসের জন্য গিয়েছিলাম। তার আগে সংবাদ সম্মেলন ও ট্রফি ফটোশুটেও আমরা হাত মিলিয়েছি। কিন্তু টসের ঠিক আগ মুহূর্তে ম্যাচ রেফারি আমাকে একপাশে ডেকে নিয়ে বললেন, আজ কোনো হ্যান্ডশেক হবে না, আমরা এভাবেই ম্যাচটা শুরু করব। আমি অবাক হলেও বলেছিলাম, ঠিক আছে। আমি নিজেও খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না।
ম্যাচ শেষে পাকিস্তান দল সৌজন্য বজায় রাখতে ভারতের ড্রেসিংরুমে গিয়েছিল বলে দাবি করেন সালমান। তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, 'ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমরা হেরে গিয়েছিলাম। শিষ্টাচার অনুযায়ী আমরা ওদের প্যাভিলিয়নে বা ড্রেসিংরুমে গিয়েছিলাম হাত মেলানোর জন্য। কিন্তু তখনও ওরা আমাদের সাথে হাত মেলায়নি, ড্রেসিংরুমের দরজা বন্ধ ছিল।'
মাঠে খেলোয়াড়দের এমন আচরণ তরুণ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন এই পাক অধিনায়ক। তিনি বলেন, 'আমি বারবার বলেছি, এটা ঠিক হচ্ছে না। আমরা যখন দেশের প্রতিনিধিত্ব করি, তখন ছোট বাচ্চারা আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমাদের দেখে যদি কাল কোনো ক্লাব ক্রিকেটেও এমনটা ঘটে, তবে তার দায় আমাদের ওপরই বর্তাবে। রোল মডেল হিসেবে এটি মোটেও ভালো কিছু নয়।
২০২৫ সালের পাহলগাম হামলার পর ভারতের জাতীয় আবেগের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল পাকিস্তানের সঙ্গে হাত না মেলানোর নীতি গ্রহণ করে। যা পরবর্তীতে নারী বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ এবং ২০২৬ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অব্যাহত রয়েছে।