বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইতালিয়ান ফুটবলের শীর্ষ স্তরের রেফারি নিয়োগ ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা জানলুকা রক্কি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্রীড়া জালিয়াতির সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তদন্ত শুরু হওয়ার পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
ফুটবল সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই রক্কির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছিল। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
ইতালিয়ান সংবাদ সংস্থা এজিআই জানিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে প্রাথমিক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ইতালিয়ান রেফারি অ্যাসোসিয়েশন (এআইএ) এক বিবৃতিতে রক্কির এই সাময়িক পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মিলান পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে তদন্ত শুরুর পর রক্কির পাশাপাশি সেরি এ এবং সেরি বি-র ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিআর) সুপারভাইজার আন্দ্রে জেরভাসোনিও পদত্যাগ করেছেন।
নিজের বিবৃতিতে ৫২ বছর বয়সী রক্কি বলেন, পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি চাই বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়াটি যেন স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। আমি নিশ্চিত যে, আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আগের চেয়েও শক্তিশালীভাবে ফিরে আসব।
তিনি জানান, রেফারিদের যেন তার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে কোনো নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়, সেই দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।
তদন্তে রক্কির বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু অভিযোগ উঠেছে। দাবি করা হচ্ছে, ইন্টার মিলানের একটি ম্যাচে তিনি নির্দিষ্ট একজন রেফারিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন কারণ ইন্টার কর্তৃপক্ষ তাকে পছন্দ করতো। এছাড়া অন্য একটি ম্যাচে ইন্টারের এক খেলোয়াড় প্রতিপক্ষকে কনুই দিয়ে আঘাত করার পরও ভিএআর কেন হস্তক্ষেপ করেনি, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
সবচেয়ে বিতর্কিত অভিযোগটি গত বছরের মার্চ মাসের একটি ম্যাচ নিয়ে। অভিযোগ আছে, উদিনেস বনাম পার্মা ম্যাচে রক্কি একজন ভিএআর কর্মকর্তাকে চাপ দিয়েছিলেন রেফারিকে হ্যান্ডবল চেক করতে বাধ্য করার জন্য। যদিও মাঠের রেফারি ও ভিএআর আগে থেকেই সেটি পেনাল্টি নয় বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয় এবং ফ্লোরিয়ান থাউভিনের সেই বিতর্কিত পেনাল্টি গোলেই উদিনেস ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
উল্লেখ্য, ইতালিতে ক্রীড়া জালিয়াতি একটি ফৌজদারি অপরাধ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি ছয় বছরের কারাদণ্ড।