বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ক্রীড়াকণ্ঠ ডেস্ক
বাংলাদেশ দলের পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারী নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। পেসার নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভেঙে পড়ে কিউই ব্যাটিং লাইনআপ। তার পাঁচ উইকেট শিকারের দাপটে দুইশ রানের আগেই থেমে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। সব মিলিয়ে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ফলে সিরিজে সমতা ফেরাতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯৯ রান।
সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে তাদের সেই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারেনি সফরকারীরা, বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে ইনিংসটি দ্রুত গুটিয়ে যায়।
ম্যাচে সপ্তম ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই ফেরান ১৩ রান করা হেনরি নিকোলসকে। ২৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউইরা। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে আরও একটি উইকেট নিয়ে বিদায় করেন ২ রান করা উইল ইয়াংকে। ২৮ রানে পতন হওয় সফরকারীদের।
প্রথম ওয়ানডের মতোই বাংলাদেশের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছে। ফলে হাত খুলে খেলার সুযোগ পায়নি কিউই ব্যাটাররা।
৫৬ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ আব্বাস ও নিক কেলি। সেই জুটিও ভাঙেন বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত দিনের সেরা বোলার নাহিদ রানা। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ১৯ রান করা আব্বাসকে দেখিয়ে দেন সাজঘরের পথ। তার বিদায়ে চতুর্থ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
অর্ধশতক করে ব্ল্যাকক্যাপসদের হাল ধরে রাখা নিক কেলিকে বিদায় করেন শরিফুল ইসলাম। ১৪ চারে তার সাজানো ইনিংসটি থামে দলীয় ১৪৫ রানে। আক্ষেপে পুড়েন তিনি শতক মিসের। ৫ উইকেট হারানো কিউইদের ষষ্ঠ উইকেট তুলে নেন রিশাদ হোসেন। ৬ রান করা জশ ক্লার্কসনকে আউট করেন তিনি। ফলে ১৫২ রানে ৫ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
প্রথম ম্যাচের নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক ডিন ফক্সক্রফটকে ১৫ রানে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট শিকার করেন নাহিদ। ১৬৪ রানে ৭ উইকেট হারায় ল্যাথামরা।
বড় শট খেলতে গিয়ে আফিফের হাতে ধরা পড়েন ১২ রান করা ব্লেয়ার টিকনার। ১৮২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর দুইশ রানের আগে অলআউট হওয়া তখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় মাত্র। বোর্ডে আরও ১ রান যোগ হতেই রানের খাতা না খোলা জেইডেন লেনক্সকে আউট করে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফারপূর্ণ করেন নাহিদ।
শেষ উইকেট হিসেবে উইল ও'রুর্ককে ৬ রান ফেরান তাসকিন। দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তাওহিদ হৃদয়। আর তাতেই ১৯৮ রান গুটিয়ে যায় কিউইরা।
বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৫ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। দুটি করে পেয়েছেন শরিফুল ও তাসকিন আহমেদ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেন।