বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

নতুন কোচের অধীনে প্রথম ম্যাচ, গ্যালারিভরা দর্শক আর শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা- সব মিলিয়ে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিয়েছে ইন্টার মায়ামি। এ জয়ে আবারও কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন লিওনেল মেসি, যার পারফরম্যান্স দলকে এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ডেনভারের এম্পাওয়ার ফিল্ড এট মিলে হাইতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৭৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে কলোরাডো র্যাপিডসকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে মায়ামি। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ গিলেরমো হোয়োসের অধীনে এটিই ছিল দলের প্রথম ম্যাচ, যেখানে দারুণ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে তারা জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়।
মাত্র কয়েক দিন আগেই দায়িত্ব ছাড়েন হাভিয়ের মাশ্চেরানো। তার বিদায়ের পর স্পোর্টিং ডিরেক্টর থেকে প্রথম দলের দায়িত্বে আসা হোয়োসের শুরুটা হলো জয়ে।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় মায়ামি। ১৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মেসি। সেই পেনাল্টি আদায় করেন মিডফিল্ডার ইয়ানিক ব্রাইট। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ান জের্মান বারটেরামে। ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে হেডে বল জালে জড়ান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচে ফেরে কলোরাডো। ৫৮তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান কমান রাফায়েল নাভারো। চার মিনিট পরই সমতা ফেরান বদলি নেমে আসা ড্যারেন ইয়াপি।
সমতা ফেরার পর ম্যাচ গড়ায় অন্যরকম উত্তেজনায়। শেষ পর্যন্ত সেই উত্তেজনার ইতি টানেন মেসি। ৭৯তম মিনিটে মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে নিখুঁত শটে জোড়া ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান, যা নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ফল।
ম্যাচের শেষ দিকে লাল কার্ড দেখে দশজনের দলে পরিণত হয় মায়ামি। ৮৭তম মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ব্রাইট। ম্যাচ পরিচালনাকারী সংস্থা জানিয়েছে, রেফারির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের কারণে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কোচ হোয়োস।
এ জয়ে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থাকল মায়ামি। মৌসুমের প্রথম ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলসের পর আর হারেনি তারা।
এদিকে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানেও এগিয়ে মেসি। এই মৌসুমে তার গোল এখন ৭টি—যা তাকে স্যাম সুরিজ ও পিটার মুসার সঙ্গে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় রেখেছে।