বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সময়টা ভালো যাচ্ছে না চেন্নাই সুপার কিংসের। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুইটিতে জয় পাওয়া সাবেক চ্যাম্পিয়ন দলটি এবার বড় ধাক্কা খেল ইনজুরির কারণে। দলের পেসার খলিল আহমেদ কোয়াড্রিসেপস ইনজুরিতে পড়ে এবারের আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন। ফলে চলতি আসরে আর মাঠে দেখা যাবে না এই বাঁহাতি পেসারকে।
চেন্নাইয়ের হয়ে এ পর্যন্ত খেলা পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই অংশ নিয়েছিলেন খলিল। গত ১৪ এপ্রিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি কোমরের ডান পাশে ব্যথা অনুভব করেন। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার চোটের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
আইপিএলের একটি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, এটি গ্রেড-২ টিয়ার এবং পুনর্বাসনে অন্তত ১০-১২ সপ্তাহ লাগবে।
বাঁহাতি এই পেসার ভারতের হয়ে ১১টি ওয়ানডে ও ১৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তার সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২০২৪ এর জুলাইয়ে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় বলেন, পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে।
দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ২৩ রানের বড় জয়ের পর চেন্নাই এবার কলকাতাকে ৩২ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে এক ধাপ উঠে অষ্টম স্থানে গেছে।
গায়কোয়াড় ম্যাচ শেষে বলেন, ধীরে ধীরে সবকিছু গুছিয়ে আসছে বলে মনে হচ্ছে। সবাই এখন জানে তাদের ভূমিকা কী, কোন ওভারে বল করতে হবে এবং কী লেংথে করতে হবে। দল যা চায়, সে অনুযায়ী সবাই দারুণভাবে মানিয়ে নিচ্ছে। যেমন বলেছি, আমরা ধীরে ধীরে আরও ভালো হচ্ছি, যা আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ।
তিনি জানান, দল প্রথমে ২২০ রানের লক্ষ্য ধরেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ১৯২-ও যথেষ্ট ছিল।
‘আমরা ভালো স্কোর ডিফেন্ড করেছি। আমার মনে হয়েছে এটা পার স্কোর, কারণ প্রথম সাত-আট ওভারের পর উইকেটের আচরণ বদলে যায়। বল স্পিন করতে শুরু করে, থেমেও আসছিল। প্রথমে আমরা ২২০ বা ২১০ ভাবছিলাম, পরে মনে হয়েছে ১৯০ বা ১৮০-এর আশেপাশে ভালো স্কোর হবে। এরপর শুধু বোলিংয়ে ভালো পাওয়ারপ্লে দরকার ছিল,’– তিনি যোগ করেন।
নুর আহমেদের (৪-০-২১-৩) দুর্দান্ত বোলিংয়ে কলকাতা রান তাড়ায় ব্যর্থ হয়।
আফগান এই স্পিনার বলেন, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় আঙুল শুকনো রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
‘শিশির ছিল, আবহাওয়াও আর্দ্র ছিল, তাই আমি আঙুল শুকনো রাখার চেষ্টা করেছি। এতে সঠিক জায়গায় বল ফেলতে সুবিধা হয়েছে। বল ব্যাটে ভালোভাবে আসছিল না, তাই সেটা কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সামনের ম্যাচগুলোতেও দলের জন্য অবদান রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাব’,- তিনি যোগ করেন।