বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অস্ট্রেলিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে সবার নজর কেড়েছেন তরুণ স্প্রিন্টার গাউট গাউট। রোববার (১২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ২শ’ মিটার ফাইনালে তিনি দৌড় শেষ করেন মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে। এই দারুণ সময় নিয়ে তিনি শুধু স্বর্ণপদকই জিতেননি, গড়েছেন নতুন ইতিহাসও। তার এই পারফরম্যান্সে ভেঙে গেছে কিংবদন্তি স্প্রিন্টার উসাইন বোল্টের পূর্বের রেকর্ড।
অথচ গাউটের বয়স মাত্র ১৮ বছর। তার আগুনে গতির সামনেই ম্লান হয়ে গেল ২৩ বছর বয়সের আগে বোল্টের নজির। সেবার ১৯.৯৩ সেকেন্ডে ২০০ মিটার টাইমিংয়ে ফিনিশিং লাইন শেষ করেছিলেন জ্যামাইকান কিংবদন্তি। এই দৌড়ের আগে গাউটের ব্যক্তিগত সেরা সময় ছিল ২০.০২ সেকেন্ড। অল্প সময়ের ব্যবধানে নিজের সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন অজি স্প্রিন্টার। ফাইনালে শুরুর দিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত গাউট চলে যান ধরাছোঁয়ার মধ্যে। বাঁক পেরিয়ে শেষ ১০০ মিটারে তিনি গতি বাড়িয়ে অন্যদের ছাপিয়ে যান। এইডান মারফি ১৯.৮৮ সেকেন্ড সময়ে দৌড় শেষ করে দ্বিতীয় এবং ক্যালাব ল ২০.২১ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।
গত কয়েক বছরে জুনিয়র বিভাগ থেকে উঠে এসে দ্রুতই সিনিয়র পর্যায়ে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন গাউট। তিনিই অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আলোচিত অ্যাথলেটদের একজন। অভিজ্ঞ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে নিয়মিত প্রতিযোগিতা তার পারফরম্যান্সকে আরও পরিণত করেছে। মূলত ট্র্যাকের রেসের দ্বিতীয় ভাগে নিজের সেরা ছন্দে আসার জন্য সুখ্যাতি রয়েছে তার। ২০০ মিটার ইভেন্টে সফল হতে গেলে বাঁক ঘোরার সময় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং শেষ ল্যাপে গতি ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কাজটাই নিখুঁতভাবে করে থাকেন গাউট।
এত অল্প বয়সেই এমন অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর তরুণ প্রতিভান এই স্প্রিন্টারকে নিয়ে অ্যাথলেটিক্স মহলে প্রত্যাশা বাড়ছে। ইংরেজি বানান অনুযায়ী এই তরুণ স্প্রিন্টারের নামের উচ্চারণ ‘গাউট’ হলেও, প্রকৃত উচ্চারণ ভিন্ন। তার বাবা বোনা গুওটের কথায়, দক্ষিণ সুদান থেকে মিশরে যাওয়ার সময়, অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে সরকারি নথিতে ভুলবশত তার নামের বানান ‘Gout’ লেখা হয়। আসলে নামের সঠিক উচ্চারণ ‘গুওট’। তবে সেই ভুল বানানই এখন পরিচয়ের অংশ হয়ে গেল। বর্তমানে ‘গাউট গাউট’ নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই উদীয়মান স্প্রিন্টার