বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্টটি ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ ২০২৩ সালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে বিভিন্ন কারণে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) টুর্নামেন্ট স্থগিত ঘোষণা করে। পরে শ্রীলঙ্কাও আয়োজক হতে অপারগতা জানায়।
এ অবস্থায় বাংলাদেশে আসরটি আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুটি ভেন্যুতে খেলা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার স্টেডিয়ামের পাশাপাশি বসুন্ধরা কিংসের ভেন্যু নিয়েও আলোচনা চলছে।
এবারের আসরে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রথমবারের মতো ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছে আয়োজকরা যা বাস্তবায়িত হলে টুর্নামেন্টের মান আরও উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তিন বার বাংলাদেশে হয়েছিল সাফ ফুটবল। প্রথমবার হওয়া ২০০৩ সালের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লাল-সবুজের দলটি। ২০০৯ সালে আয়োজক বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল খেলেছিল। সর্বশেষ ২০১৮ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করলেও প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল লাল-সবুজের দলটি। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ।
হামজা চৌধুরী ও শমিত শোমদের আগমনে বাংলাদেশের ফুটবলে যে নতুন উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশে আবারও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাফ।
সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাটেল জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ফুটবলে যে উন্মাদনা চলছে সেটিই তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং সেই কারণে বাংলাদেশকেই স্বাগতিক করার বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, আগামী সেপ্টেম্বর–অক্টোবর উইন্ডোতে পুরুষদের সাফ আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে। এজন্য স্পন্সরশিপ, বিপণন অংশীদার এবং নির্বাহী কমিটির অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এদিকে স্বাগতিক হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনে সাড়া দেননি বলে জানা গেছে।
আধুনিক ফুটবলে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই টুর্নামেন্টে ভিএআর (VAR) প্রযুক্তি যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান কাটেল। তার মতে, রেফারিদের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কমাতে এবং ম্যাচে স্বচ্ছতা আনতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
২০২৬ সালের নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন নিয়ে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাফ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৭ জুন ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট।
তবে এবারের আসরে থাকছে না পাকিস্তান। সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাটেল জানিয়েছেন, Pakistan women's national football team সময় চেয়ে অংশগ্রহণের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা চূড়ান্তভাবে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। ফলে এবার ছয়টি দল নিয়েই অনুষ্ঠিত হবে নারী সাফ।
তিনি আরও জানান, এই মাসের শেষ দিকে অংশগ্রহণকারী ছয় দলের ড্র অনুষ্ঠিত হবে, যার মাধ্যমে গ্রুপিং ও টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত সূচি নির্ধারণ করা হবে।